নিজস্ব প্রতিবেদক :পটুয়াখালী
পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাশবুনিয়া ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ আলমগীর মাতুব্বর এর স্ত্রী চম্পা বেগম (২৮) কে দর্শনের প্রচেষ্টা চালায় একই গ্রামের মোঃ হাফেজ রারী এর ছেলে সাইদুল রারী (২৮)।
২০:০৯:২৫ তারিখ চম্পা বেগমের স্বামী আলমগীর মাতুব্বর এর সাথে সামান্য লাউ গাছ লাগানো নিয়ে কথার কাটা কাটির এক পর্যায়ে তাকে বেধারক মারধর করে সাইদুল রারী ও তার ভাই সোলায়মান রারী।
পরবর্তীতে আলমগীর মাতুব্বর কে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা গলাচিপা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এবং তার স্ত্রী চম্পা বেগম গলাচিপা থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত এস আই বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করেন। অসুস্থ আলমগীর কে উন্নত চিকিৎসার জন্য গলাচিপা থেকে বরিশাল রেফার করা হয়।
অসুস্থ আলমগীর এর স্ত্রী চম্পা বেগম এর কাছে টাকা না থাকায় তিনি টাকা দারের জন্য ২৩:০৯:২৫ তারিখ বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসার খোঁজ পেয়ে পিছু নেয় দর্শনের প্রচেষ্টাকারী সাইদুল রারী।
তিনি পিছন থেকে চম্পা বেগম কে জরিয়ে ধরে তার পরনে থাকা জামা কাপড় খোলার চেষ্টা করে এমতাবস্থায় চ্ম্পা বেগমের ভাই এসে ডাক চিৎকার শুরু করিলে সাইদুল রারী দৌড়ে পালিয়ে যায়।
চম্পা বেগমের স্বামী অসুস্থ থাকার কারনে এ কয়েক দিনে কোন অভিযোগ করতে পারেননি তিনি। তাই সে ২৮ :০৯:২৫ তারিখ তার স্বামীকে সাথে নিয়ে এসে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে একটি মামলা দায়ের করেন।
চম্পা বেগম গণমাধ্যম কে অবগত করেন পূর্বে ২৬:১২:২৪ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে তাকে দর্শনের প্রচেষ্টা করায় সাইদুল এর নামে মামলা দায়ের করেন।
সে মামলাটি স্থানীয় লোকজন সমঝোতার আশ্বাস দিলে তিনি পাননি কোন বিচার। এভাবে দিনের পর দিন তাকে নিয়ে করা হয় চক্রান্ত। তিনি মহামান্য আদালতের কাছে এই দর্শনের প্রচেষ্টাকারী সাইদুলের কঠিনতম শাস্তি দাবি করেন।