মোঃ রাসেল হাওলাদার স্টাফ রিপোর্টার
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের বাশবাড়িয়া গ্রামে জায়গা-জমি ও গাছকাটাকে কেন্দ্র করে ছয়জউদ্দিন মোল্লা মা সুফিয়া খাতুন তিনি একজন বৃদ্ধ মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে সুফিয়া খাতুনের ছেলে ছয়জউদ্দিন মোল্লা বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এরপর পুলিশ অভিযুক্ত মোসলেম ও মোহনকে আটক করেছে।
তবে গ্রেফতারের পর একজন আসামী অসুস্থতার ভান করায় পুলিশের সহায়তায় পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৯নংওয়ার্ডের বাশবাড়িয়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে ছয়জউদ্দিন মোল্লার সাথে মোসলেম ও মোহন দের সাথে বিরোধ চলছিল।
ভুক্তভোগী ছয়জউদ্দিন মোল্লার অভিযোগ তিনি নিজের জমির গাছ কাটতে গেলে ১ নম্বর আসামি মোসলেম ও ৩ নম্বর আসামি মোহনসহ একদল লোক বে আইনিভাবে বাধা দেয়। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আসামিরা ছয়জউদ্দিন মোল্লারওপর চড়াও হয় এবং তাকে পিছন থেকে দেশি অর্শ দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন তার মা সুফিয়া খাতুন সামনে থেকে ফিরাতে গেলে তার হাতে দেশি অস্ত্রর আঘাত লেগে গুরুতর জখম হন এতে তার হাতসহ শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ছয়জউদ্দিন মোল্লা বলেন আমার নিজ জায়গার গাছ কাটতে গেলে তারা এসে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধভাবে আমার ওপর হামলা চালায় আমার মা সামনে থাকায় তার উপরে দুর্বৃত্তরা আঘাত করেন
হামলার পর ভুক্তভোগী ছয়জউদ্দিন মোল্লা তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা চান। পরে প্রধান আসামি মোসলেম ও মোহনকে আটক করে।তবে স্থানীয়দের দাবি, আটকের পর আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে আসামিরা শারীরিক অসুস্থতার ভান ধরে। পরবর্তীতে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসার জন্য তাকে
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবার আসামিদের উপযুক্ত শাস্তি ও জেলহাজতে প্রেরণের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ছয়জউদ্দিন মোল্লা।