মো: সাখাওয়াত হোসেন মামুন( নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
গৌরীপুর উপজেলার ১০ নং সিধলা ইউনিয়নের চর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর মা এবং ছোট ভাই আলামিনকে (৩১) মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মোহাম্মদ আলী গং এবং বিবাদী ১/মো: মোজাম্মেল( ৪০)পিতা মৃত: সমেশ, ২/ মো: আঃ বারেক (৪৮) পিতা মৃত : হেলাল,৩/ মো: রুবেল (২৮)৪/ মো: সোহেল( ৪৫) উভয় পিতা মো: আবুল কাশেম ৫/ মো: আবুল কাশেম (৫৫)পিতা মৃত : আফসার উদ্দিন,৬/মো: আকাশ( ২১) পিতা মো: খালেকদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ লেগে আসছিল এবং তারা একই বাড়ির বাসিন্দা। মামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায় গত বৃহ:বার ১৬ জুলাই২০২৬ ইং দুপুর বার ঘটিকার সময় মোহাম্মদ আলীর ছোট ভাই মো: আলামিন (৩১) মাছের ফিসারী হতে কাজ শেষে ইয়ামাহা ভার্সন ৩ মোটর সাইকেল দিয়ে নিজ বাড়িতে আসার সময় উপরোক্ত সকল বিবাদীরা দলবদ্ধভাবে পূর্ব পরিকল্পিত দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে নিয়া ২নং বিবাদীর বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তার উপর আলামিনের পথ রোধ করিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আলামিন বিবাদীদেরকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে ১নং বিবাদীর হুকুমে ২নং বিবাদী বাঁশের লাঠি দিয়া আলামিনের বাম হাতে কনুর উপরে জখম করে। আলামিনের মা মোছা: আমেনা খাতুন (৬২) রক্ষা করতি আসিলে ১নং বিবাদী হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে তাহার মাথা লক্ষ্য করিয়া গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত করে। আমেনা খাতুনের গলায় থাকা ২ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ৩নং বিবাদী জোর পূর্বক নিয়ে যায়। যাহার আনুমানিক মূল্য-৪,৪০,০০০/=(চার লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। ৪, ৫ ও ৬নং বিবাদীরা আলামিনের ইয়ামাহা ভার্সন ৩ মোটর সাইকেল টি লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে আঘাত করে ভাঙ্গিয়া ফেলে যাহার ক্ষতিরপরিমান আনুমানিক মূল্য-৩,০০,০০০/=(তিন লক্ষ) টাকা।আহতদের ডাক চিৎকারে আলামিনের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী সহ উপরোক্ত সাক্ষী ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসিলে সকল বিবাদীরা উল্লেখিত বিষয়ে মামলা মোকদ্দমা করিতে নিষেধ করে। মামলা মোকদ্দমা করিলে বিবাদীরা মোহাম্মদ আলী সহ তার পরিবারের সদস্যদেরকে সময় সুযোগ মত পাইলে হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলবে বলে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করে। মোহাম্মদ আলী সহ উপস্থিত লোকজন আহতদের উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ নিয়ে যায়। পরে একই দিনে মোহাম্মদ আলী পরিবারের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: হাবিবুর রহমান লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন।