সিলেট ব্যুরো চীফ।
সুনামগঞ্জ জেলার জগ্ননাথপুর উপজেলার খানপুর মৌজায় মাননীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞার ভূমিতে ভূমি খেকো আব্দুল হারিছের পাকা দেওয়াল নির্মাণের অপচেষ্টা, নালিশা ভূমিতে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা সহ কঠোর পদক্ষেপ নিতে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকে নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় আদালত।
সরেজমিনে জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার খানপুর মৌজার এস এ জেএল নং- ২২১,আর এস,জেএল নং- ২১৯, খতিয়ান নং- ১ ও ১৪১০ সংক্রান্ত, দাবেক দাগ- ৪৫৭৬ ও ৪৭৯৮, আর এস দাগ নং- ৫৮৪৬ ও ৫৮৪৫ দাগের মোট ১.৩৫ শতক ভূমির মালিক হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউপির দিঘিরপাড় গ্রামের মৃত – তোয়াজ উল্যাহর ওয়ারিশান আহমদ আবুল কালাম গং রা।
উক্ত নালিশা ভূমি নিয়ে সহকারী সিভিল জজ (জগন্নাথপুর) সুনামগঞ্জ আদালতে একটি স্বত্ত্ব ( ভাটোয়ারা)মামলা চলমান। যার স্বত্ব ( ভাটোয়ারা মামলা নং- ২৯/২৪, বাদী আহমদ আবুল কালাম গং, উক্ত ভূমিতে বিবাদীদের বিরুদ্ধে মাননীয় আদালতের অন্তবর্তিকালীন নিষেধাজ্ঞাসহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবত রয়েছে।
কিন্তু সম্প্রতি ইনাতগঞ্জ ইউপির লালাপুর গ্রামের পরসম্পদ লোভী ভূমি খেকো মৃত – আজেফর উল্যাহর পুত্র আব্দুল হারিছ ও তার সন্ত্রাসীরা মাননীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উক্ত নালিশা ভূমি জবর দখলের লক্ষ্যে একটি পাকা দেওয়াল নির্মাণের অপচেষ্টা চালায়। গত ৪ মার্চ বুধবার মামলার বাদী আহমদ আবুল কালাম সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে আব্দুল হারিছের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দাখিল করেন।
পুলিশ সুপার মো: জাকির হোসেন বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুর রহমানকে নির্দেশ দেন। ৫ মার্চ বিকাল ৩ টা ৫০ মিনিটের সময় জগন্নাথপুর থানার এস আই অপূর্বর নেতৃত্বে পুলিশ ইনাতগঞ্জ কলেজ রোডেস্থ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাতো নেয়নি, কোন বাধাও দেয়নি।
এ ঘটনাটি সাথে সাথে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপারকে ফোনে ও ভয়েস কলে জানানো হয়েছে। গত ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং, বিষয়টি মাননীয় আদালতে অভিযোগ জানানো হলে মাননীয় আদালত নালিশা ভূমিতে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা সহ কঠোর পদক্ষেপ নিতে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকে নির্দেশ দেন।
Reporter Name 




















