দুমকীতে রহস্যজনক একগৃহবধূর মৃত্যু ?

১১৯

 

‎মোঃ সজিব সরদার

‎নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে মোসাঃ মুক্তা আক্তার(২২) নামে একগৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরবয়রা গ্রামের মোঃ আসাদুল গাজীর স্ত্রী মোসাঃ মুক্তা আক্তারকে অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। মুক্তা আক্তারের ৩ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৭মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

‎মৃত মুক্তার ভাই মোঃ মাসুম হোসেন বলেন, আমার বোন জামাই লঞ্চে চাকরি করে।বোন তার শশুর শাশুড়ি সাথে থাকতো। আমার বোনের বিয়ের পর থেকেই শশুর শাশুড়ি তার সাথে ঝগড়া এবং মারধর করে। গতকাল রাতেও বোন আমাদের ফোন দিয়ে ঝগড়ার কথা বলেছে। আজ সকালে  আমার বোনের মৃত্যু। আমার সন্দেহ আমার বোনের মৃত্যুর পিছনে তার শশুর শাশুড়ি জড়িত আছে। তাই আমার বোনের মৃত্যুর সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি।

‎মৃত মুক্তার শাশুড়ি রোকেয়া বেগম বলেন, সকালে মুক্তা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যেতে দেখেছি। তারপর সে রুমে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর নাতি এসে আমাকে রুমে নিয়ে যায়।আমি ডাকাডাকি করি সারা না পেয়ে আশেপাশের মহিলাদের ডাকি।তারপর হাসপাতাল নিয়ে আসি। মুক্তার ভাই আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

‎দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃজাকির হোসেন জানান, হাসপাতালে থেকে সংবাদ পেয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু: শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা

https://www.youtube.com/@DACP-TV

ভিডিও নিউজ

দুমকীতে রহস্যজনক একগৃহবধূর মৃত্যু ?

Update Time : ০৫:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
১১৯

 

‎মোঃ সজিব সরদার

‎নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর দুমকিতে মোসাঃ মুক্তা আক্তার(২২) নামে একগৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরবয়রা গ্রামের মোঃ আসাদুল গাজীর স্ত্রী মোসাঃ মুক্তা আক্তারকে অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। মুক্তা আক্তারের ৩ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৭মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

‎মৃত মুক্তার ভাই মোঃ মাসুম হোসেন বলেন, আমার বোন জামাই লঞ্চে চাকরি করে।বোন তার শশুর শাশুড়ি সাথে থাকতো। আমার বোনের বিয়ের পর থেকেই শশুর শাশুড়ি তার সাথে ঝগড়া এবং মারধর করে। গতকাল রাতেও বোন আমাদের ফোন দিয়ে ঝগড়ার কথা বলেছে। আজ সকালে  আমার বোনের মৃত্যু। আমার সন্দেহ আমার বোনের মৃত্যুর পিছনে তার শশুর শাশুড়ি জড়িত আছে। তাই আমার বোনের মৃত্যুর সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি।

‎মৃত মুক্তার শাশুড়ি রোকেয়া বেগম বলেন, সকালে মুক্তা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যেতে দেখেছি। তারপর সে রুমে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর নাতি এসে আমাকে রুমে নিয়ে যায়।আমি ডাকাডাকি করি সারা না পেয়ে আশেপাশের মহিলাদের ডাকি।তারপর হাসপাতাল নিয়ে আসি। মুক্তার ভাই আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

‎দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃজাকির হোসেন জানান, হাসপাতালে থেকে সংবাদ পেয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।