মাসুদ খান :স্টাফ রিপোর্টার পটুয়াখালী
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় হাত–পায়ের রগ কেটে নিশংস হামলার শিকার হওয়া মো. সরোয়ার হাওলাদার (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার ভোর রাতে মৃত্যু হয়।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ইট বাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত সরোয়ার স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ গণি হাওলাদারের ছেলে।
ঘটনার পরপরই তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান—হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর অবস্থা দ্রুত অবনতি হয়ে মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সরোয়ারের পরিবার বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেছে। মামলায় যাদের আসামি উল্লেখ করা হয়েছে—
মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৪৫), পিতা—মতি হাওলাদার
মোঃ আতাহার (৭৫), পিতা—মৃত মোকসেদ
মোঃ ইলিয়াস মৃধা (৪৫), পিতা—বারেক মৃধা
মোঃ জাফর মৃধা (৪৮), পিতা—বারেক মৃধা
ঠিকানা—বানিয়াকাঠি গ্রাম, ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন, পটুয়াখালী।
অপরদিকে মামলার তিন দিন পরে আজ সকাল ১১টার দিকে আসামী দ্বয়ের ঘর ভাংচুর করে আগুন লাগানো হয় ।
এ বিষয়ে স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে কোন সাক্ষ্য দিতে রাজি নয়। অত্র ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে কে বা কাহারা দিনের বেলায় আগুন ধরিয়েছে ঘর ভাংচুর করেছে তিনি এ বিষয় সম্পর্কে কোন কিছু বলতে পারেন না।
বাদীপক্ষের দাবি—
“হত্যা মামলাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে আসামিদ্বয় নিজেদের ঘরে আগুন লাগিয়েছে।”
তবে পুলিশ এখনো এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
পুলিশ জানিয়েছে—হত্যা ও অগ্নিসংযোগ—দুটি দিকই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। খুব শীঘ্রই তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের কে আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।