নিজস্ব প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক প্রবীণ সাংবাদিককে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ নুরুল ইসলাম নুরু (৭২) ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নুরুল ইসলাম নুরু দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত এবং বর্তমানে “ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটি র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ফতুল্লা থানা গেট সংলগ্ন শহিদুল ইসলাম (৫৫), তার ছেলে সজিব (২৫), আব্দুল্লাহ আবিদ (২২) ও হাসান (২১) দীর্ঘদিন ধরে তার অফিসের পাশে অবস্থান করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত। বিশেষ করে, তারা ব্যবসার নামে নারীদের উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে আসছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়াও অভিযুক্তরা প্রায় সময় সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন নিয়ে তার অফিসের সামনে অবস্থান করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উস্কানিমূলক আচরণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এসব কর্মকান্ডে বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নুরুকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় শহিদ ও তার ছেলে সজিব দলবদ্ধভাবে তার অফিসের সামনে এসে তাকে মারধরের চেষ্টা করে এবং হুমকি প্রদান করে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, স্থানীয় বাড়ির মালিকসহ আশপাশের লোকজন অভিযুক্তদের কর্মকান্ডে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা চলাচলের রাস্তা দখল করে টেবিল-চেয়ার বসিয়ে রাখার মাধ্যমে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনার বিষয়ে থানার কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও অভিযুক্তরা নিজেদেরকে আইনের ঊর্ধ্বে দাবি করে পুনরায় একই কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামের মদদে ফতুল্লায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় যে মিথ্যা মামলাগুলো দায়ের করা হতো তা সবগুলোই শহিদের কম্পিউটারের দোকান থেকেই নাকি করা হতো।
সুচতুর শহিদ পরিচিত অনেক বিএনপি নেতাদেরকে কাছে ডেকে এনে মামলায় আসামী করার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত বলে নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক বিএনপি নেতাকর্মীরা জানায়।
এছাড়াও বিগত সময়ে সে আওয়ামীলীগের শাহনিজামের প্রভাবে পুরো ফতুল্লা থানা থানার আশপাশে জিডি অভিযোগের নামে সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ারও প্রচুর অভিযোগ রয়েছে শহিদের বিরুদ্ধে।