সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁর পত্নীতলায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত

১০৮

উপজেলার কলনিপাড়া এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ জুন) সকালে ৮টার সময় জামাত শুরু হয় এবং ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। এই জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভ্যানে, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে আসেন অংশগ্রহণের জন্য। পোরশা, ধামইরহাট, মহাদেবপুর, সাপাহার, বদলগাছী ও জয়পুরহাট থেকেও মুসল্লিরা ভিড় জমিয়েছেন।

জামাতে পুরুষদের সঙ্গে নারীরাও নামাজ আদায়ে অংশ নেন, যা স্থানীয় সামাজিক বন্ধুত্ব ও ঐক্যের পরিচয় বহন করে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পশু কোরবানি সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় আয়োজক কমিটির সভাপতি জানান, গত ১০ বছর ধরে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত পড়ানো এবং ঈদ উদযাপন করছেন। তিনি বলেন, “আমরা রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করি, এভাবেই ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা পাচ্ছে।”

পত্নীতলার বাসিন্দারা জানান, সৌদি আরবের রীতি অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করা তাদের মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতি এবং ঐক্য আরও শক্তিশালী করেছে। তারা আশা করেন এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু: শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা

https://www.youtube.com/@DACP-TV

ভিডিও নিউজ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁর পত্নীতলায় ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৭:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ জুন ২০২৫
১০৮

উপজেলার কলনিপাড়া এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ জুন) সকালে ৮টার সময় জামাত শুরু হয় এবং ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। এই জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভ্যানে, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে আসেন অংশগ্রহণের জন্য। পোরশা, ধামইরহাট, মহাদেবপুর, সাপাহার, বদলগাছী ও জয়পুরহাট থেকেও মুসল্লিরা ভিড় জমিয়েছেন।

জামাতে পুরুষদের সঙ্গে নারীরাও নামাজ আদায়ে অংশ নেন, যা স্থানীয় সামাজিক বন্ধুত্ব ও ঐক্যের পরিচয় বহন করে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পশু কোরবানি সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় আয়োজক কমিটির সভাপতি জানান, গত ১০ বছর ধরে তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত পড়ানো এবং ঈদ উদযাপন করছেন। তিনি বলেন, “আমরা রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করি, এভাবেই ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা পাচ্ছে।”

পত্নীতলার বাসিন্দারা জানান, সৌদি আরবের রীতি অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করা তাদের মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতি এবং ঐক্য আরও শক্তিশালী করেছে। তারা আশা করেন এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।