প্রতিবাদ সংবাদ। গত ২৭ আগষ্ট ২৫ইং তারিখে বহুল প্রচারিত দৈনিক জনকন্ঠ-এর নিউজ ও দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়।পোর্টালে প্রকাশিত “অবশেষে স্বঘোষিত সাংবাদিক সালামা আক্তার সখিনা শ্রীঘরে” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।
সংবাদের শুরুতে ন্যাক্কার জনকভাবে আমার সালমা আক্তার নামের সঙ্গে সখিনা জুড়ে দিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সংবাদে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তাতে সত্যের লেশ মাত্র নেই।
আমি এক অসহায় নারী। জীবনের প্রয়োজনে আমি একটি জাতীয় দৈনিক ভোরের সময় এর কুমিল্লা প্রতিনিধি হিসেবে বহুদিন যাবৎ নিষ্ঠা ও সত্যতার সংঙ্গে কাজ করে আসছি। আমার সত্যতা ও নিষ্ঠা আমাকে সত্য প্রকাশে অীবচল রাখায় আমি আদালত পাড়ায় দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করে আসছি সে কথা সংবাদের একাংশে প্রকাশিত হয়েছে বটে। আমি কখনও কাজের সঙ্গে প্রতারণা করিনি।
কোন ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করার তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এর প্রমান প্রকাশিত সংবাদের উল্লেখ রয়েছে যে, “সালমা আক্তার সখিনার বিরুদ্ধে একাধিক লিখিথ অভিযোগ ছিল।” – কে বা কারা অভিযোগ করেছিল তার লেশ মাত্র উল্লেখ প্রকাশিত সংবাদে করা হয়নি।
আমার মত একজন অবলা নারীর পক্ষে ভঁয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করার কল্পিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও যোগাসাজসিক ঘটনা মাত্র। সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে — “পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়” — কিন্তু বলা হয়নি যে কে বা কারা কেন আমাকে আটক করেছিল এবং পুলিশে সোপর্দ করেছিল।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার বশবর্তী হয়ে এক শ্রেণীর হীণ মানসিকতার দো-পায়া- এবং ভূয়াঁ তথ্যের ফরমায়েশী সাংবাদিকতায় লিপ্ত স্বার্থান্বের্ষী ব্যক্তি মব’ভায়োলেন্স করে আমাকে আটক করে নানাবিধ জুলুম নির্যাতন করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বর্তমান সময়ের অসহায় পুলিশ আমাকে বিনা অপরাধে ও বিনা মামলায় গ্রেফতার দেখায় ।
এবং সত্য ফরমায়েশী তথ্যে-সংবাদ সৃষ্টিতে পারদর্শীদের দ্বারা মিথ্যে সংবাদ প্রকাশের প্রয়াশ চালায়। একটু সু-দৃষ্টিতে তাকালেই দেখবেন যে প্রকাশিত সংবাদে যুক্ত করা হয়েছে যে, “স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সালমার দৌরাত্ব্যে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে ছিলেন।
তাদের অভিযোগ, এ ধরনের ভূঁয়া সাংবাদিকদের কারনে প্রকৃত সাংবাদিকরা কোন ঠাসা হয়ে পড়ে।” প্রকাশিত সংবাদের এ অংশটুকুই বলে দেয় প্রকাশিত সংবাদের সাংবাদিক কতটুকু দায়িত্বশীল ও সত্যানুসন্ধ্যানী।
আরো প্রকাশ থাকে যে কুমিল্লা জেলা দাউদকান্দি থানাদিন কিছু সংখ্যক সাংবাদিক ছাত্র আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে ছাত্রদের শান্তিপ্রিয় মিছিল ও আন্দোলনে বাধা প্রদান করেছিল।
আওয়ামীলীগ যে ছাত্রদেরকে গুলি করেছে তার সমস্ত প্রমাণ লোপাট করে দিয়েছে। ঐ সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সত্য ঘটনা তুলে ধরে আমি ফৈইসবুক এ পোস্ট দিয়েছিলাম অনেক বার। তখন থেকে ঐ সকল সাংবাদিকরা আমাকে ফাসানোর জন্য আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
আর আমার চরিত্র নিয়ে এখানে কিছু সংবাদ যা খুব জঘন্য ভাবে প্রচার করা হয়েছে যা আমি আর প্রকাশ করে লিখতে পারলাম না।আমার চরিত্রের দিকে আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে শুধু এতোটুকু বলবো আমি একজন সৎ নিষ্ঠাবান সংবাদ কর্মী আমার চরিত্র কোনো কালী নেই।
আমাকে অপমান করল না সমস্ত মা জাতিকে অপমান করল। তারা যদি সাংবাদিক হইতো তবে একজন সাংবাদিক হয়ে অন্য একজন নারী সংবাদ কর্মীকে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারতো না।তাদের স্বার্থ হাসিল করতে না পারায় আমার নামে এই ধরনের সংবাদ প্রচার করিয়াছে ।
দৈনিক জনকন্ঠের ও দৈনিক ভোরের সূর্যোদয় সাংবাদিক শামীম রায়হান এর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিন যাবত সংঘর্ষ চলিতেছে সে সকল পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমাকে সমাজের কাছে হ্যাঁও প্রতিপন্ন করার জন্য এ সকল সংবাদ প্রচার করিয়াছে
আমি উক্ত সংবাদের সকল মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।