ফ্রি চক্ষু সেবা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

খলিফা সাগর :: নিজস্ব প্রতিবেদক

গলাচিপা উপজেলার  ৮নং বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদ এর উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু সেবা  কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের  পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব  মোঃ খলিলুর রহমান–এর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও আল্লাহর সন্তুষ্ট লাভের উদ্দেশ্যে  এই সেবামূলক ফ্রী চক্ষু সেবা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অতীতকাল থেকে তিনি বকুলবাড়ীয়া ইউনিয়ের গরীব অসহায় দুস্তদের মাঝে শীতের বস্র বিতারন করেন।অসহায় স্বজনদের পাশে দাড়িয়ে ক্যানসার রোগীদের বিনা খরচে তার অর্থায়নে চিকিৎসা প্রদান করেন। ইয়াতিম সহ সকল মানুষদের পাশে থেকে সর্বসময় তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের অনুদান প্রদান করে থাকেন।

বকুলবাড়িয়া  ইউনিয়নবাসীর কাছে হাজী খলিলুর রহমান সম্পর্কে জানতে চাইলে  তারা আমাদেরকে অতি আনন্দের সাথে  অবগত করেন হাজী খলিলুর রহমান বকুলবাড়িয়া  ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষদের একজন সহযোদ্ধা যিনি কিনা নিজের অর্থায়নে কোন স্বার্থ ছাড়াই আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য মানবিক কাজ করে থাকেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আবু মোহাম্মদ হানিফ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম  সরদার ও জনাব  মহিউদ্দিন সিকদার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের পৃষ্ঠপোষক হাজী মোঃ খলিলুর  রহমান বলেন, মানুষের কল্যাণে সামাজিক কাজ করতে আমার  ভালো লাগে। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন এবং ভবিষ্যতে ও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনী বলেন আমি সমাজের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা বা  সম্মান পাওয়ার জন্য সেবা মূলক কাজ পরিচালনা করি  না আমি আমার রবের সন্তুষ্ট লাভের উদ্দেশে এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া  সাল্লাম এর দেখানো পথ অনুসরণ করেই সর্বস্তরের লোকদের পাশে থাকতে চাই।

পরিশেষে তিনি বলেন আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাকে যতদিন এই দুনিয়ায় বেঁচে রাখেন ততদিন আমি যেন  আপনাদের মাঝে এ ধরনের সমাজ সেবামূলক কাজ করে যেতে পারি আমার জন্য মহান রবের কাছে আপনারা দোয়া করবেন এবং সকলকে যেন আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সব সময় ভালো রাখেন এবং সুখময় রাখেন।

উপস্থিত সকলে  হাজী মোহাম্মদ খলিলুর রহমানের এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন,  তিনি ভবিষ্যতে ও যেন  এভাবেই মানুষের পাশে থেকে সমাজ সেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।