ষ্টাফ রিপোর্টার:

নানা আয়োজনে উদযাপিত হলো ‘স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী’ দৈনিক আজকের নীরবাংলা পত্রিকার ১৭ বছরে পদার্পণ। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, প্রতিনিধি সম্মেলন, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

রবিবার, ৩ মে বিকাল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে পত্রিকাটির ১৬ বছর পূর্তি শেষে ১৭তম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের সংবাদকর্মীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং অতিথি ও গুণীজনদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

দৈনিক আজকের নীরবাংলা পত্রিকার ১৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে পেশাগত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনসহ বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সংবাদ করায় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ কে পেশাগত দক্ষতায় সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ড. ফজলুল হক (রুমন রেজা)। উদ্বোধন করেন পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ কু-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান কে এম মাজহারুল ইসলাম জোসেফ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য মাওলানা মইনউদ্দীন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম ইকবাল রুমি।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাক ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, ভিকটিমের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শাহানাজ জামান, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট সাহিদুল ইসলাম টিটু, দৈনিক বিজয় পত্রিকার সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সেন্টু, নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগ (প্রশাসন) এর টিআই এম এ করিমসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এস এম ইমদাদুল হক মিলন এবং সঞ্চালনা করেন প্রধান বার্তা সম্পাদক এম আর হায়দার রানা।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু, কাজী আনিসুল হক হীরাসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দৈনিক আজকের নীরবাংলা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে। আগামীতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে পত্রিকাটি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।