নিজস্ব প্রতিবেদ

পটুয়াখালী পুরাতন হাসপাতাল রোড একটি শক্তি নারী সংঘ সংগঠনে ২০২০ সালে নেত্রী হয় ঝুমুর । সেই থেকে ৩০.০৭.২০২৫ ইং পর্যন্ত তার নেতৃত্ব বয়স হয় ৫ বছর ৭ মাস এই সংগঠনে জড়িত ১৩০ জন মেয়ে আছে এই মেয়েদের মাঠে লোন ছাড়ে মাসিক ৩০০টাকা চাঁদা নেয় এবং ওদের জমানো টাকা লোন ছাড়ে।

সঞ্চয় টাকা মাঠে ছাড়ে এক লাখ টাকা এক লাখ টাকায় মাসে ৩০০০ কমিশনেয় এই টাকার হিসাব দেয় না এই কারণে চায়নার বাড়ি মৌসুমী জনকর্মী আছে সবুজ ভাইয়ের চায়ের দোকানে বসে হিসাব না দেওয়ার কারণে মৌসমী কাচের ভেঙে হাতে নিয়ে বলেন অর্থ আমার হিসেব দিবেন নয়তোবা আমি আমার নিজের পেটে নিজেই এই ক্লাস বাংগা দিয়ে নিজের নিজের জীবন আমি যে শেষ করে দিব এই দৃশ্য দেখে সব যৌনকর্মী মিলে বলেও হিসাব দেয় না নেত্রী ঝুমুর

বাড়িওয়ালা শাহ আলম ভাই সহ ও ইউনুচ মোল্লা উপদেষ্টা ফারুক বড় সদদাওই শক্তি নারী সংগঠনের কমিটি ঝুমুর বাদে দশজনের কমিটি সহ-সভাপতি ও জয়েন সেক্রেটারি তারপর সকলে বলে ঝুমুরকে হিসাব দেওয়ার জন্য ফাঁড়িতে বসে ১০-৮ ২০২৫ নির্ধারণ করে।

সে হিসাব না দেওয়ার জন্য বিলম্ব করে বাড়ি ওয়ালা শাহ আলম ভাই সাংবাদিক আনে সাংবাদিক মাসুদ সহ ৭ জন সাংবাদিক আনেন পর তাদের সামনে ঝুমুর নেত্রী বলে ৩০-৮-২০২৫ তারিখ হিসাব দিবে যেমন সাংবাদিক বলছে শাহালম ভাই কে হিসাবটা আপনি চেক করবেন কমিটি চেক করার কারণে ঝুমুর নেত্রী জুই নামের একটি জনকর্মী আছেওর কাছে একটি কাগজে ইয়াবা ১৪ পিছ রাখিতে বলে।

লিপি আপার বিছনার নিচে রাখিয়া আসবা এইজন্য বিনিময় তোমাকে আমি এক হাজার টাকা দিব জুইকে বলবে লিপি আপা বিছনা পরিষ্কার করতে যে দেখে বিছানার নিচে কাগজের ভেতরে ইয়াবা লিপি আপা শাহ আলম ভাইকে জানানোর পরে শাহ আলম ভাই পটুয়াখালী সদর ফারী সে এ বিষয়টি জানায় পরে এসআই দিলিপ আসে ঝুমুর নেত্রী ও তার স্বামী কবির বাসা থেকে পালিয়ে যায়।

এখানেই শেষ নয় যৌনকর্মীদের দিয়ে করান ইয়াবার ব্যবসা বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে ফিটিং দিয়ে হাতে নে নগদ টাকা মোবাইল কাছে যা পায় তাই রেখে দাও

যৌনকর্মীদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টকা হাতিয়ে নে আর সেই টাকা দিয়ে করেন আলিশান বাড়ি পতিতালয়ের ভিতর ৪তালা বাড়ি করে পতিতালয়ের বাহিরে লাউকাটি ইউনিয়নের হইছে খলিশা খালি  গ্রামে করেন আরো একটি বাড়ি