মিত্যা মামলায় মস্তফা সিকদার কে জেলে পাঠিয়ে তার নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের পিলার ভাংচুর ও রড লুটপাট।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৩ Time View

 

জায়গা দখলের অভিযোগ এলাকায় উত্তেজনা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: মোঃ মাসুদ খান

 

গলাচিপা উপজেলার ০৮নং বকুল বাড়িয়া ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ড পাতাবুনিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে মস্তফা সিকদার (৫৫) তার দখলকৃত জায়গায় বিল্ডিং উত্তলোন করার উদ্দেশ্যে পিলার স্থাপন করিলে সেই পিলার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

০৪/০৩/২০২৬ রোজ বুধবার দুপুর ১২:০০ সময় ফারুক সিকদার (৩০) পিতা হানিফ সিকদার এর নেতৃতে ভাড়া করা ৫০ থেকে ৬০জন লোক নিয়ে একই গ্রামের মস্তফা সিকদারের নির্মানাধীন বিল্ডিং এর পিলার ভাংচুর করেন এবং মস্তফা সিকদারের বৃদ্ধ স্ত্রী কে মারধর করেন।

স্থানীয় সুএে জানা যায় ৫০ বছর ধরে মোস্তফা শিকদার ওই জায়গায় বসবাস করে আসতেছেন। গত কয়েক মাস ধরে অপর পক্ষের হানিফ সিকদার ও ছেলে ফারুক শিকদার ওই জায়গা তাদের বলে দাবি করিতেছে।

পরবর্তী পর্যায়ে স্থানীয় বিএনপির আহ্বায়ক জনাব কবির সরদারের নিকট সালিশ মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষে দরখাস্ত করিলে সালিশগন কাগজপত্র দলিল যাচাই করে মোস্তফা সিকদারের পক্ষে রায় ঘোসনা করেন।

বিবাদী হানিফ সিকদার সেই রায় না মেনে গলাচিপা একটি মামলা দায়ের করেন সেখানে ও মহামান্য আদালত মোস্তফা শিকদারের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।

সেই রায় কে না মেনে এসে ক্ষমতার জোরে সেই জায়গা দখল করিতে গেলে সেখানে মোস্তফা শিকদারের ছেলের স্ত্রী জেসমিন কে মাথার উপর আঘাত করে এবং তারা নিজেরা আহত হয়। পরবর্তীতে এ বিষয় নিয়ে বিবাদী হানিফ সিকদার মোটর সাইকেল নিয়ে আগে পৌঁছে থানায় গিয়ে ৬ -৭ জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা রুজু করেন।

তারপরে ওই রাতে পুলিশ দিয়ে মস্তফা শিকদার সহ চারজনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন শুধু জেল হাজতে প্রেরণ করে থেমে থাকেননি বিবাদী হানিফ সিকদার ও তার সন্তানেরা বাড়িতে এসে হানিফ সিকদারের ছেলে ফারুক শিকদার ৫০ থেকে ৬০ জন গুন্ডাবাহিনী ভারা করে মোস্তফা শিকদারের উত্তোলনকৃত বিল্ডিং এর পিলার ভাঙচুর করেন এবং তারপর তার বৃদ্ধ স্ত্রীকে মারধর করেন ও বিল্ডিং উত্তোলনের রড লুটপাট করে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি হানিফ সিকদার এবং তার সন্তানেরা ক্ষমতার জোরে অসহায় মোস্তফা শিকদারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেন এবং তার দখলকৃত জায়গা নিজে দখল করার জন্য মিথ্যেভাবে প্রচেষ্টা চালান।

স্থানীয় লোকের দাবি মোস্তফা শিকদার যেন তার ভোগ দখলকৃত জায়গা ফিরে পান এবং তাকে মিথ্যা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার কারণে অপরাধীরদের কে যেন আইনের আওতায় এনে সুষ্ট বিচার করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

গাজীপুরে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ।

https://www.youtube.com/@DACP-TV

ভিডিও নিউজ

মিত্যা মামলায় মস্তফা সিকদার কে জেলে পাঠিয়ে তার নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের পিলার ভাংচুর ও রড লুটপাট।

Update Time : ০৮:২১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

 

জায়গা দখলের অভিযোগ এলাকায় উত্তেজনা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: মোঃ মাসুদ খান

 

গলাচিপা উপজেলার ০৮নং বকুল বাড়িয়া ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ড পাতাবুনিয়া বাজারের দক্ষিণ পাশে মস্তফা সিকদার (৫৫) তার দখলকৃত জায়গায় বিল্ডিং উত্তলোন করার উদ্দেশ্যে পিলার স্থাপন করিলে সেই পিলার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

০৪/০৩/২০২৬ রোজ বুধবার দুপুর ১২:০০ সময় ফারুক সিকদার (৩০) পিতা হানিফ সিকদার এর নেতৃতে ভাড়া করা ৫০ থেকে ৬০জন লোক নিয়ে একই গ্রামের মস্তফা সিকদারের নির্মানাধীন বিল্ডিং এর পিলার ভাংচুর করেন এবং মস্তফা সিকদারের বৃদ্ধ স্ত্রী কে মারধর করেন।

স্থানীয় সুএে জানা যায় ৫০ বছর ধরে মোস্তফা শিকদার ওই জায়গায় বসবাস করে আসতেছেন। গত কয়েক মাস ধরে অপর পক্ষের হানিফ সিকদার ও ছেলে ফারুক শিকদার ওই জায়গা তাদের বলে দাবি করিতেছে।

পরবর্তী পর্যায়ে স্থানীয় বিএনপির আহ্বায়ক জনাব কবির সরদারের নিকট সালিশ মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষে দরখাস্ত করিলে সালিশগন কাগজপত্র দলিল যাচাই করে মোস্তফা সিকদারের পক্ষে রায় ঘোসনা করেন।

বিবাদী হানিফ সিকদার সেই রায় না মেনে গলাচিপা একটি মামলা দায়ের করেন সেখানে ও মহামান্য আদালত মোস্তফা শিকদারের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।

সেই রায় কে না মেনে এসে ক্ষমতার জোরে সেই জায়গা দখল করিতে গেলে সেখানে মোস্তফা শিকদারের ছেলের স্ত্রী জেসমিন কে মাথার উপর আঘাত করে এবং তারা নিজেরা আহত হয়। পরবর্তীতে এ বিষয় নিয়ে বিবাদী হানিফ সিকদার মোটর সাইকেল নিয়ে আগে পৌঁছে থানায় গিয়ে ৬ -৭ জনকে আসামী করে একটি মিথ্যা মামলা রুজু করেন।

তারপরে ওই রাতে পুলিশ দিয়ে মস্তফা শিকদার সহ চারজনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন শুধু জেল হাজতে প্রেরণ করে থেমে থাকেননি বিবাদী হানিফ সিকদার ও তার সন্তানেরা বাড়িতে এসে হানিফ সিকদারের ছেলে ফারুক শিকদার ৫০ থেকে ৬০ জন গুন্ডাবাহিনী ভারা করে মোস্তফা শিকদারের উত্তোলনকৃত বিল্ডিং এর পিলার ভাঙচুর করেন এবং তারপর তার বৃদ্ধ স্ত্রীকে মারধর করেন ও বিল্ডিং উত্তোলনের রড লুটপাট করে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি হানিফ সিকদার এবং তার সন্তানেরা ক্ষমতার জোরে অসহায় মোস্তফা শিকদারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেন এবং তার দখলকৃত জায়গা নিজে দখল করার জন্য মিথ্যেভাবে প্রচেষ্টা চালান।

স্থানীয় লোকের দাবি মোস্তফা শিকদার যেন তার ভোগ দখলকৃত জায়গা ফিরে পান এবং তাকে মিথ্যা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার কারণে অপরাধীরদের কে যেন আইনের আওতায় এনে সুষ্ট বিচার করা হয়।