০২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জেলা বিএনিপর সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ সম্পাদক ও প্রকাশক

 

মোঃ আবদুল করিম সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: 

সুনামগঞ্জ-কাছিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কের অনিয়ম ধরিয়ে দেওয়ায় সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে এককোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ করেছে জেলা বিএনপি। সোমবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের পুরাতন বাসস্ট্রেশন এলাকায় পানসী রেস্টুরেন্টের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিস্ক্র মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। সংবাদ সম্মেলনে কাজের সাথে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিকট পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট আব্দুল হক, সদস্য এ্যাডভোকেট মাসুক আলম, নাদির আহমদ, আকবর আলী, এ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী, নাদীর আহমদ,মোঃ রেজাউল হক, আ ত ম মিসবাহ,জেলা বিএনপিন নেতা বাবু অশোক তালুকদার,আকতারুজ্জামান চৌধুরী রিন্টু জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমীন,সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট কয়েছ আহমদ,যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল হক কালারচাঁন,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু,যোগাযোগ বিষযক সম্পাদক সুজন মাহমদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মুনাজ্জির হোসেন,সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম,সহ সভাপতি সুহেল মিয়া,শাহজাহান মিয়া,সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম দুলু,সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট দিপংঙ্কর বণিক সুজিত,জেলা কৃষকদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম পলাশ,মৎস্যজীবি দলের সভাপতি বাহার ফেরদৌস ও সদর উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ,যুবদল নেতা আজিজুর রহমান সৌরভ,জেলা ছাত্রদল নেতা তারেক আহমদ,ওবায়দুল ইসলাম.শাহ রাহুল,নাঈম আহমদ শিশির প্রমুখ । লিখিত বক্তব্যে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, এই প্রকল্পের কাজ পেয়েছিলেন রাজধানী ঢাকার ঠিকাদার গোপালগঞ্জের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ সমর্থক মোঃ বদরুল ইসলাম, ঠিকাদারী ফার্ম ইসলাম ট্রেডার্স। জানা যায় যে, ২০২৪ এর ৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর উক্ত ঠিকাদার দেশ ছেড়ে পলায়নের পর এই কাজের ১ম সাব-ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয় তাহিরপুরের বালিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ‌আজাদ হোসেনকে। তাদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে পরবর্তীতে উক্ত প্রকল্পের ২য় সাব-ঠিকাদার নিযুক্ত হন আরেক আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট বিভিন্ন সন্ত্রাস দমন আইনের এবং প্রতারণা মূলক বহু মামলার আসামী ডেভিল শফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, বগত ২৭ অক্টোবর সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল বিশ্বম্ভরপুর রতারগাঁও হাই স্কুল থেকে একটি অনুষ্ঠান শেষে আসার পথে এলাকার সাধারণ জনগণ তাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণ কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন তিনি নিজেও দেখতে পান সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ড ওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী। মাটি কম্পেকশন না করে জিও টেক্সটাইল এর উপর নিম্ন মানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে। ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল। তাৎক্ষণিক ভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য পরের দিন ঠিকাদারকে উপস্থিত থাকার জন্য উপস্থিত ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে অনুরোধ করেন এবং তিনি বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাকে নিয়ে পরের দিন সাইট তিনি নিজে পরিদর্শন করবেন। আমরা লক্ষ্য করলাম সাথে সাথে ঐ দিনই উক্ত সাব-ঠিকাদার স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে এই সংঘবদ্ধ তথ্য সন্ত্রাসের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের প্রথম সাব-ঠিকাদারের মুখ থেকে আপনারা শুনেছেন বাস্তবে ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে ৮৭ কোটি টাকা ব্যয় দেখাতে কি ভাবে ওভার এস্টেমেট করা হয়েছিল। আপনারা এও শুনেছেন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নে ৭ লাখ ঘনফুট মাটির স্থলে কিভাবে ৫৬ লাখ ঘটফুট মাটি ধরা হয়েছে। পুকুর চুরির এই প্রকল্পে সাব-ঠিকাদারের জানামতে এই কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে এবং উত্তোলিত বিলের টাকা সড়ক বিভাগের লোকজন এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধি ভাগাভাগি করে নিয়েছে। ইতিমধ্যে উক্ত প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৩৮ কোটি টাকার বিল উত্তোলন করে লুটপাট করা হয়েছে। জনগণের সম্মুখে প্রকল্পের প্রাক্ষলিত ব্যয়ের কোন সাইবোর্ড প্রদর্শন করা হয় নাই। সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতির এই প্রকল্প নিয়ে পাঁচ দফা দাবি তুলেন ধরেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মিলন উদ্দিন আহমদ মিলন। দাবিগুলো হচ্ছে- এক. প্রকল্প শুরুর দিকে দুর্নীতির যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করা হয়, তার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। দুই. প্রকল্পের প্রকৃত মূল্য পুর্নমূল্যায়ন করে অতিরিক্ত যে মূল্য (ওভার ভ্যালু) দেখানো হয়েছে সেই টাকা দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারের কাছ থেকে সরকারি কোষাঘারে ফেরত আনতে হবে। তিন. ইতোমধ্যে যে পরিমাণ নিম্ন মানের কাজ হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে ডিজাইন অনুযায়ী, মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করে নতুন করে কাজ করতে হবে। চার. এই সংস্কার কাজ বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগের যে সকল প্রকৌশলী জড়িত, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারে যাদের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এবং পাঁচ. দুর্নীতিবাজ এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যতগুলো কাজ চলামন রয়েছে, সবগুলোর কাজ এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান করতে হবে।

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জেলা বিএনিপর সংবাদ সম্মেলন

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
PhotoCard Icon
Create PhotoCard
27 October 2026

রাউজানে প্রবাসীর পরিবারকে হত্যার পর লাশ গুমের হুমকির অভিযোগ

https://dailyalorsomaz.com |
https://www.facebook.com

সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জেলা বিএনিপর সংবাদ সম্মেলন

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

 

মোঃ আবদুল করিম সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: 

সুনামগঞ্জ-কাছিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কের অনিয়ম ধরিয়ে দেওয়ায় সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে এককোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ করেছে জেলা বিএনপি। সোমবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের পুরাতন বাসস্ট্রেশন এলাকায় পানসী রেস্টুরেন্টের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিস্ক্র মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। সংবাদ সম্মেলনে কাজের সাথে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিকট পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট আব্দুল হক, সদস্য এ্যাডভোকেট মাসুক আলম, নাদির আহমদ, আকবর আলী, এ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী, নাদীর আহমদ,মোঃ রেজাউল হক, আ ত ম মিসবাহ,জেলা বিএনপিন নেতা বাবু অশোক তালুকদার,আকতারুজ্জামান চৌধুরী রিন্টু জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমীন,সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট কয়েছ আহমদ,যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল হক কালারচাঁন,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু,যোগাযোগ বিষযক সম্পাদক সুজন মাহমদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মুনাজ্জির হোসেন,সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম,সহ সভাপতি সুহেল মিয়া,শাহজাহান মিয়া,সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম দুলু,সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট দিপংঙ্কর বণিক সুজিত,জেলা কৃষকদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম পলাশ,মৎস্যজীবি দলের সভাপতি বাহার ফেরদৌস ও সদর উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ,যুবদল নেতা আজিজুর রহমান সৌরভ,জেলা ছাত্রদল নেতা তারেক আহমদ,ওবায়দুল ইসলাম.শাহ রাহুল,নাঈম আহমদ শিশির প্রমুখ । লিখিত বক্তব্যে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, এই প্রকল্পের কাজ পেয়েছিলেন রাজধানী ঢাকার ঠিকাদার গোপালগঞ্জের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ সমর্থক মোঃ বদরুল ইসলাম, ঠিকাদারী ফার্ম ইসলাম ট্রেডার্স। জানা যায় যে, ২০২৪ এর ৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর উক্ত ঠিকাদার দেশ ছেড়ে পলায়নের পর এই কাজের ১ম সাব-ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয় তাহিরপুরের বালিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ‌আজাদ হোসেনকে। তাদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে পরবর্তীতে উক্ত প্রকল্পের ২য় সাব-ঠিকাদার নিযুক্ত হন আরেক আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট বিভিন্ন সন্ত্রাস দমন আইনের এবং প্রতারণা মূলক বহু মামলার আসামী ডেভিল শফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, বগত ২৭ অক্টোবর সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল বিশ্বম্ভরপুর রতারগাঁও হাই স্কুল থেকে একটি অনুষ্ঠান শেষে আসার পথে এলাকার সাধারণ জনগণ তাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণ কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন তিনি নিজেও দেখতে পান সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ড ওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী। মাটি কম্পেকশন না করে জিও টেক্সটাইল এর উপর নিম্ন মানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে। ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল। তাৎক্ষণিক ভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য পরের দিন ঠিকাদারকে উপস্থিত থাকার জন্য উপস্থিত ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে অনুরোধ করেন এবং তিনি বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী সহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাকে নিয়ে পরের দিন সাইট তিনি নিজে পরিদর্শন করবেন। আমরা লক্ষ্য করলাম সাথে সাথে ঐ দিনই উক্ত সাব-ঠিকাদার স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নুরুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে এই সংঘবদ্ধ তথ্য সন্ত্রাসের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের প্রথম সাব-ঠিকাদারের মুখ থেকে আপনারা শুনেছেন বাস্তবে ৪০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে ৮৭ কোটি টাকা ব্যয় দেখাতে কি ভাবে ওভার এস্টেমেট করা হয়েছিল। আপনারা এও শুনেছেন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নে ৭ লাখ ঘনফুট মাটির স্থলে কিভাবে ৫৬ লাখ ঘটফুট মাটি ধরা হয়েছে। পুকুর চুরির এই প্রকল্পে সাব-ঠিকাদারের জানামতে এই কাজে ব্যাপক অনিয়ম হচ্ছে এবং উত্তোলিত বিলের টাকা সড়ক বিভাগের লোকজন এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধি ভাগাভাগি করে নিয়েছে। ইতিমধ্যে উক্ত প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৩৮ কোটি টাকার বিল উত্তোলন করে লুটপাট করা হয়েছে। জনগণের সম্মুখে প্রকল্পের প্রাক্ষলিত ব্যয়ের কোন সাইবোর্ড প্রদর্শন করা হয় নাই। সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতির এই প্রকল্প নিয়ে পাঁচ দফা দাবি তুলেন ধরেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মিলন উদ্দিন আহমদ মিলন। দাবিগুলো হচ্ছে- এক. প্রকল্প শুরুর দিকে দুর্নীতির যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করা হয়, তার সঙ্গে জড়িত প্রতিটি ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। দুই. প্রকল্পের প্রকৃত মূল্য পুর্নমূল্যায়ন করে অতিরিক্ত যে মূল্য (ওভার ভ্যালু) দেখানো হয়েছে সেই টাকা দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারের কাছ থেকে সরকারি কোষাঘারে ফেরত আনতে হবে। তিন. ইতোমধ্যে যে পরিমাণ নিম্ন মানের কাজ হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে ডিজাইন অনুযায়ী, মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার নিশ্চিত করে নতুন করে কাজ করতে হবে। চার. এই সংস্কার কাজ বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগের যে সকল প্রকৌশলী জড়িত, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কারে যাদের দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এবং পাঁচ. দুর্নীতিবাজ এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যতগুলো কাজ চলামন রয়েছে, সবগুলোর কাজ এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান করতে হবে।

Share this news as a Photo Card