০৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া মামলাবাজ মেহেরুন্নেসা চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • ৮৩ সম্পাদক ও প্রকাশক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার আলাতুন্নেসা স্কুল সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মামলা বাণিজ্য, হুমকি, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মেহেরুন্নেসা নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, সাবেক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন এবং এখনো নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, বাড্ডা আলাতুন্নেসা স্কুলের সামনে অবস্থিত খান ডেন্টাল ক্লিনিকের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দেহ ব্যবসা ও রঙ্গলীলা পরিচালিত হতো। এ কাজে তৎকালীন বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উচ্চবিত্ত ব্যক্তি ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা দায়ের, মামলা দিয়ে হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান ছিল মেহেরুন্নেসার নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। এমনই একজন ভুক্তভোগী হিসেবে উঠে এসেছে বিএনপি বনানী থানার যুগ্ম আহ্বায়ক আহমদ আলী রানার নাম। অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে সরেজমিন তদন্তে ওই মামলার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাইনি পুলিশ। পরবর্তীতে জজ কোর্টে আরও একটি ভুয়া সি আর মামলা দায়ের করেন সেটিরও কোনো সত্যতা মেলেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী সরকারের পতনের পরও রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে রয়েছেন মেহেরুন্নেসা। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এখনো মামলার আতঙ্কে রয়েছেন অনেক সাধারণ মানুষ। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে ভয় দেখিয়ে তিনি বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। জানা গেছে, মেহেরুন্নেসার স্বামী মৃত সারোয়ার খান। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তিনি বাড্ডা আলাতুন্নেসা স্কুল সংলগ্ন এলাকাতেই বসবাস করছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিল। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, মিথ্যা মামলাবাজি, দেহ ব্যবসা ও মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে মেহেরুন্নেসাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। একইসঙ্গে তার পেছনে থাকা প্রভাবশালী মহল ও সহযোগীদেরও খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

৬৬নং শাসনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসএমসি গঠন ঘিরে উত্তেজনা, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
06 July 2026

শোক সংবাদ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে প্রবীণ রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ মাহবুব কাজী

www.dailyamaderchetanaypratidin.com |
https://www.facebook.com/share/17ZfnZGsZm/

ভুয়া মামলাবাজ মেহেরুন্নেসা চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসীর

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:২৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার আলাতুন্নেসা স্কুল সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মামলা বাণিজ্য, হুমকি, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মেহেরুন্নেসা নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, সাবেক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হয়েছেন এবং এখনো নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, বাড্ডা আলাতুন্নেসা স্কুলের সামনে অবস্থিত খান ডেন্টাল ক্লিনিকের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দেহ ব্যবসা ও রঙ্গলীলা পরিচালিত হতো। এ কাজে তৎকালীন বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উচ্চবিত্ত ব্যক্তি ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মিথ্যা মামলা দায়ের, মামলা দিয়ে হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান ছিল মেহেরুন্নেসার নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। এমনই একজন ভুক্তভোগী হিসেবে উঠে এসেছে বিএনপি বনানী থানার যুগ্ম আহ্বায়ক আহমদ আলী রানার নাম। অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে সরেজমিন তদন্তে ওই মামলার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাইনি পুলিশ। পরবর্তীতে জজ কোর্টে আরও একটি ভুয়া সি আর মামলা দায়ের করেন সেটিরও কোনো সত্যতা মেলেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী সরকারের পতনের পরও রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে রয়েছেন মেহেরুন্নেসা। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এখনো মামলার আতঙ্কে রয়েছেন অনেক সাধারণ মানুষ। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে ভয় দেখিয়ে তিনি বিপুল অর্থের মালিক হয়েছেন। জানা গেছে, মেহেরুন্নেসার স্বামী মৃত সারোয়ার খান। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তিনি বাড্ডা আলাতুন্নেসা স্কুল সংলগ্ন এলাকাতেই বসবাস করছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তার ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিল। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, মিথ্যা মামলাবাজি, দেহ ব্যবসা ও মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে মেহেরুন্নেসাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। একইসঙ্গে তার পেছনে থাকা প্রভাবশালী মহল ও সহযোগীদেরও খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card