১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সত্যতা যাচাই না করে সাংবাদিকের বিরুদ্ধ কোর্টে চার্জশিট প্রেরন। 

১২৯

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী

পটুয়াখালীতে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা করেন এক সময়ের মাদক ও অস্ত্র মামলার অভিযুক্ত আসামী এম আলীম আকন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় গত বছর ২৬ সেপ্টম্বর ২০২৪ তারিখ ফেসবুক পেইজে একটি ভিডিও প্রচার করেন দৈনিক নবচেতনা, ডেইলী প্রেজেন্ট টাইমস ও নিউজ ২১ বাংলা টেলিভিশনের পটুয়াখালীর সাংবাদিক কাজী মামুন ।

তিনী পটুয়াখালী জেলা রিপোটার্স ক্লাবে বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ।

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক কাজী মামুন এর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন এম আলীম আকন। অভিযোগে তিনি জানান,স্থানীয় বালুর মাঠে ২০/৯/২০২৪ সকাল ৯ টায় প্রকাশ্য দিবালকে ৯ জন সাক্ষীর সামনে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন সাংবাদিক কাজী মামুন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সর জমিনে তদন্ত করা হয় তদন্ত অফিসার সত্যতা যাচাই করে অভিযোগ মিথ্যে বলে সেখানেই স্থাগিত করে দেয়।

পরবর্তীতে এম আলীম আকন উপরোক্ত অভিযোগ তুলে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন মহামান্য আদালত মামলাটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ইনচার্জ বরাবর প্রেরণ করেন।

সদর থানার ইনচার্জ মহোদয় মামলাটি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শিহাব বাহাদুর এর নিকট প্রেরণ করেন।

মহামান্য আদালতে ২১/১০/২০২৪ তারিখে দায়েরকৃত অভিযোগটির প্রতিবেদন ১৩/০২/২০২৫ তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য বলা হলে ও সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শিহাব বাহাদুর উক্ত প্রতিবেদন ২৩/০৮/২০২৫ তারিখে আদালতে প্রেরণ করেন।

সাংবাদিক কাজী মামুন সহ মামলায় অভিযুক্ত বাকী ০৩ আসামি আমাদেরকে জানান পটুযাখালী সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর

আলিম আকনের অভিযোগের আলোকে পরিপূর্ণ তদন্ত না করেকোনো প্রকার সিসি টিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড সংরক্ষণ ও নিউজের সত্যতা যাচাই না করেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।যা পক্ষপাতিত্ব বলে মনে করা হচ্ছে।এ ঘটনার সাথে আমাদের কোনো যোগযোগ নেই তবে আলীম আকনের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিনের জমি জমা ও রাজনৈতিক বিরোধ থাকায় আমাদের বিরুদ্ধে সম্পুন্য মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক কাজী মামুন বলেন থানা পুলিশ ও পত্র পত্রিকার তথ্য চিত্রের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করি যা অভিযোগ কারী মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং আমার বিরুদ্ধে প্রথমে থানায় অভিযোগ করেন । থানা পুলিশ প্রথমে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে বিষয়টি চেপে যায়,পরবর্তীতে এম আলমি আকন আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভিডিওটি ডিলেট করতে চাঁপ ও হুমকি দিয়ে আসছিল ।

আমি তার কোন প্রকার চাপ ও হুমকি ধামকিতে নত না হলে সে আবার আমার বিরুদ্ধে কোর্টে অভিযোগ করেন । কোর্ট বিষটি থানায় প্রেরণ করলে সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর আমাকে বাদির সাথে মিলে মিশে যেতে বলেন এবং কিছু সালামি দেবার কথা বললে আমি তাকে চ্যালেন্জ করি যে আমি কোনো সালামি দিবনা।

আমার বিরুদ্ধে কোন তথ্য চিত্র বা ঘটনা স্থানের প্রবেশ ও বাহিরের মুখে থাকা সকল সিসি টিভি ফুটেজের কোন অংশে আমার কোনো উপস্থিতি বা প্রমাণ পান তাহলে আপনি তা কোর্টে পেশ করেন ।

সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর কোনো প্রকার প্রমাণ না পেলে বিষয়টি থেমে যায় । কিন্তু হঠাৎ করেই আমি আজ জানতে পারি আমার বিরুদ্ধে সে কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন এটা আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছাড়া কিছুই নয় । উল্লেখ্য, মামলার চার্জশিট আলীম আকনের নিজ আত্মীয় স্জনদের সাক্ষী বহাল রেখে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রেরণ কারী পুলিশ কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুরের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কোন প্রকার কথা বলতে রাজী হন নি, পরবর্তীতে একাধিক বার ফোন করলে প্রতিবেদকের ফোন কেঁটে দেন সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

মান্দায় মাদক বিরোধী অভিযানে ১০০ লিটার চোলাই মদ সহ একজন মাদক ব্যবসায়িক গ্রেফতার

সত্যতা যাচাই না করে সাংবাদিকের বিরুদ্ধ কোর্টে চার্জশিট প্রেরন। 

Update Time : ১২:২২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
১২৯

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী

পটুয়াখালীতে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা করেন এক সময়ের মাদক ও অস্ত্র মামলার অভিযুক্ত আসামী এম আলীম আকন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় গত বছর ২৬ সেপ্টম্বর ২০২৪ তারিখ ফেসবুক পেইজে একটি ভিডিও প্রচার করেন দৈনিক নবচেতনা, ডেইলী প্রেজেন্ট টাইমস ও নিউজ ২১ বাংলা টেলিভিশনের পটুয়াখালীর সাংবাদিক কাজী মামুন ।

তিনী পটুয়াখালী জেলা রিপোটার্স ক্লাবে বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ।

সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিক কাজী মামুন এর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অভিযোগ করেন এম আলীম আকন। অভিযোগে তিনি জানান,স্থানীয় বালুর মাঠে ২০/৯/২০২৪ সকাল ৯ টায় প্রকাশ্য দিবালকে ৯ জন সাক্ষীর সামনে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন সাংবাদিক কাজী মামুন।

অভিযোগের ভিত্তিতে সর জমিনে তদন্ত করা হয় তদন্ত অফিসার সত্যতা যাচাই করে অভিযোগ মিথ্যে বলে সেখানেই স্থাগিত করে দেয়।

পরবর্তীতে এম আলীম আকন উপরোক্ত অভিযোগ তুলে কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন মহামান্য আদালত মামলাটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ইনচার্জ বরাবর প্রেরণ করেন।

সদর থানার ইনচার্জ মহোদয় মামলাটি সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শিহাব বাহাদুর এর নিকট প্রেরণ করেন।

মহামান্য আদালতে ২১/১০/২০২৪ তারিখে দায়েরকৃত অভিযোগটির প্রতিবেদন ১৩/০২/২০২৫ তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য বলা হলে ও সাব ইন্সপেক্টর মোঃ শিহাব বাহাদুর উক্ত প্রতিবেদন ২৩/০৮/২০২৫ তারিখে আদালতে প্রেরণ করেন।

সাংবাদিক কাজী মামুন সহ মামলায় অভিযুক্ত বাকী ০৩ আসামি আমাদেরকে জানান পটুযাখালী সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর

আলিম আকনের অভিযোগের আলোকে পরিপূর্ণ তদন্ত না করেকোনো প্রকার সিসি টিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড সংরক্ষণ ও নিউজের সত্যতা যাচাই না করেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।যা পক্ষপাতিত্ব বলে মনে করা হচ্ছে।এ ঘটনার সাথে আমাদের কোনো যোগযোগ নেই তবে আলীম আকনের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিনের জমি জমা ও রাজনৈতিক বিরোধ থাকায় আমাদের বিরুদ্ধে সম্পুন্য মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিক কাজী মামুন বলেন থানা পুলিশ ও পত্র পত্রিকার তথ্য চিত্রের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করি যা অভিযোগ কারী মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং আমার বিরুদ্ধে প্রথমে থানায় অভিযোগ করেন । থানা পুলিশ প্রথমে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে বিষয়টি চেপে যায়,পরবর্তীতে এম আলমি আকন আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভিডিওটি ডিলেট করতে চাঁপ ও হুমকি দিয়ে আসছিল ।

আমি তার কোন প্রকার চাপ ও হুমকি ধামকিতে নত না হলে সে আবার আমার বিরুদ্ধে কোর্টে অভিযোগ করেন । কোর্ট বিষটি থানায় প্রেরণ করলে সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর আমাকে বাদির সাথে মিলে মিশে যেতে বলেন এবং কিছু সালামি দেবার কথা বললে আমি তাকে চ্যালেন্জ করি যে আমি কোনো সালামি দিবনা।

আমার বিরুদ্ধে কোন তথ্য চিত্র বা ঘটনা স্থানের প্রবেশ ও বাহিরের মুখে থাকা সকল সিসি টিভি ফুটেজের কোন অংশে আমার কোনো উপস্থিতি বা প্রমাণ পান তাহলে আপনি তা কোর্টে পেশ করেন ।

সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর কোনো প্রকার প্রমাণ না পেলে বিষয়টি থেমে যায় । কিন্তু হঠাৎ করেই আমি আজ জানতে পারি আমার বিরুদ্ধে সে কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন এটা আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছাড়া কিছুই নয় । উল্লেখ্য, মামলার চার্জশিট আলীম আকনের নিজ আত্মীয় স্জনদের সাক্ষী বহাল রেখে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রেরণ কারী পুলিশ কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুরের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কোন প্রকার কথা বলতে রাজী হন নি, পরবর্তীতে একাধিক বার ফোন করলে প্রতিবেদকের ফোন কেঁটে দেন সাব ইন্সপেক্টর মো: শিহাব বাহাদুর।