০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরিচ বুনিয়া ইউনিয়নে ৪ ও ৮নং ওয়ার্ডের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার হিসেবে মনোনীত হয় মোসাঃ আসমা আক্তার। 

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাসুদ খান।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরিচ বুনিয়া ইউনিয়নে ৪ ও ৮নং ওয়ার্ডের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার হিসেবে মনোনীত হয় মোসাঃ আসমা আক্তার।

ডিলার হিসেবে তার নাম থাকলেও খাদ্য অফিসের সাথে যোগাযোগ সহ চাল বিতারন ও অন্যান্য সকল কাজ করে থাকেন তার স্বামী মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

৪ ও ৮ নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী সংখ্যা ৩৮৫ জন। বিভিন্ন কৌশলে প্রতারনার করেন যেমন অফিস খরচ, যাতায়াত ও কম্পিউটার খরচ বাবদ প্রায় ৭৭০০০ টাকার ও বেশি টাকা জনগণের কাছ থেকে আদায় করেন।

সর্বশেষ জনগনকে চাল না দিয়ে চাল বিক্রি করার জন্য অটো করে ১০ থেকে ১২ বস্তা চাল নিয়ে রওনা দিলে সাধারণ জনগণ বিষয়টি খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসে জানায়। অফিস থেকে লোক এসে ডিলারের দোকান সিল গালা করে দেয়।

সাধারণ জনগণ এবং অসহায় মানুষ এর সঠিক বিচারের দাবি প্রত্যাশা করেন।

দায় স্বীকার করেন ডিলার মোসাঃআসমা আক্তারের স্বামী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন পুরাতন কার্ড পরিবর্তন করে নতুন কার্ড দেয়া হবে,তাই অফিসের খরচ আছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

ফুড অফিসের থানা অফিসার জাকির সাব টাকা তোলার জন্য বলেছেন । এখন যদি অফিস টাকা না নেয় তাহলে জনগনের টাকা ফেরত দিয়ে দিবো।

মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ বিষয়ে বলেন জনগণের টাকা ফেরত দিতে হবে না দিলে আইনগত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

ধর্ষণের দাম ৫০ হাজার! ময়মনসিংহের সালিশি প্রহসনে দেশজুড়ে তোলপাড়

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
13 June 2026

পরিবেশ রক্ষায় সিংড়ায় শুরু হলো ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

www.dailyamaderchetanaypratidin.com

পটুয়াখালী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরিচ বুনিয়া ইউনিয়নে ৪ ও ৮নং ওয়ার্ডের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার হিসেবে মনোনীত হয় মোসাঃ আসমা আক্তার। 

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৩:০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মাসুদ খান।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে মরিচ বুনিয়া ইউনিয়নে ৪ ও ৮নং ওয়ার্ডের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার হিসেবে মনোনীত হয় মোসাঃ আসমা আক্তার।

ডিলার হিসেবে তার নাম থাকলেও খাদ্য অফিসের সাথে যোগাযোগ সহ চাল বিতারন ও অন্যান্য সকল কাজ করে থাকেন তার স্বামী মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

৪ ও ৮ নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী সংখ্যা ৩৮৫ জন। বিভিন্ন কৌশলে প্রতারনার করেন যেমন অফিস খরচ, যাতায়াত ও কম্পিউটার খরচ বাবদ প্রায় ৭৭০০০ টাকার ও বেশি টাকা জনগণের কাছ থেকে আদায় করেন।

সর্বশেষ জনগনকে চাল না দিয়ে চাল বিক্রি করার জন্য অটো করে ১০ থেকে ১২ বস্তা চাল নিয়ে রওনা দিলে সাধারণ জনগণ বিষয়টি খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসে জানায়। অফিস থেকে লোক এসে ডিলারের দোকান সিল গালা করে দেয়।

সাধারণ জনগণ এবং অসহায় মানুষ এর সঠিক বিচারের দাবি প্রত্যাশা করেন।

দায় স্বীকার করেন ডিলার মোসাঃআসমা আক্তারের স্বামী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন পুরাতন কার্ড পরিবর্তন করে নতুন কার্ড দেয়া হবে,তাই অফিসের খরচ আছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

ফুড অফিসের থানা অফিসার জাকির সাব টাকা তোলার জন্য বলেছেন । এখন যদি অফিস টাকা না নেয় তাহলে জনগনের টাকা ফেরত দিয়ে দিবো।

মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ বিষয়ে বলেন জনগণের টাকা ফেরত দিতে হবে না দিলে আইনগত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card