০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে ইনজেকশনে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৯ Time View
১৯৭

 

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনজকশন ও নার্সের অবহেলায় আরোহী নামে ছয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।মঙ্গলবার ( ২৪ ফেব্রুয়ারী ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেগমগগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আরোহী উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপুর এলাকার জহির উদ্দিনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপুর এলাকা থেকে শিশু আরোহীকে নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে মা সালমা আক্তার। স্বজনদের দাবি, জরুরি বিভাগের নার্সের গাফিলতিতে শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে এলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক বলেন, শিশুটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত ছিল। মঙ্গলবার সকালে সংকাটাপন্ন অবস্থায় শিশুকে তার মা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাড়িতে শিশুটিকে ৩-৪ দিন রেখে তার শরীরে ৩-৪াট ইনজেকশন পুশ করা হয়।

যখন শিশুর শরীরে বাড়িতে ইনজেকশন আর পারমিট করেনি তখন তাকে হাতে ক্যানোলা পরা অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার শিশুকে দেখার আগে নার্স ক্যানোলা পরিষ্কার করতে গেছে শিশুটি মারা যায়। তবে শিশুর স্বজনরা মৌখিক ভাবে অভিযোগ করে নার্সের গাফিলতিতে শিশুটি মারা যায়।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সালেহ আহমেদ সোহেল বলেন, কিছু দিন আগে জ্বরের জন্য শিশু কনসালটেন্ট ডা.রফিকুল ইসলাম আরোহীকে চিকিৎসা দেয়। তিনি শিশুকে একটি ইনজেকশন দিতে বলেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকতে বলেন।

স্বজনেরা শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেনি, বাহিরে ইনজেকশন দিয়ে আজকে আবার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন শিশুর হাতে থাকা ক্যানোল বক্ল পাওয়া যায়। ক্যানোলা পরিষ্কার করার সময় রোগী মারা যায়। নিহত শিশুর পরিবারের অভিযোগ ইনজেকশন দিতে শিশুটি মারা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

বাকেরগঞ্জে মিথ্যা মামলা ও চার্জশিটে ভুক্তভোগী এশিয়ান টিভির সাংবাদিক ফয়সাল মাহমুদ। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নাজমুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নোয়াখালীতে ইনজেকশনে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

Update Time : ০৪:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৯৭

 

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনজকশন ও নার্সের অবহেলায় আরোহী নামে ছয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।মঙ্গলবার ( ২৪ ফেব্রুয়ারী ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেগমগগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আরোহী উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপুর এলাকার জহির উদ্দিনের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরপুর এলাকা থেকে শিশু আরোহীকে নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে মা সালমা আক্তার। স্বজনদের দাবি, জরুরি বিভাগের নার্সের গাফিলতিতে শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে এলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক বলেন, শিশুটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত ছিল। মঙ্গলবার সকালে সংকাটাপন্ন অবস্থায় শিশুকে তার মা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাড়িতে শিশুটিকে ৩-৪ দিন রেখে তার শরীরে ৩-৪াট ইনজেকশন পুশ করা হয়।

যখন শিশুর শরীরে বাড়িতে ইনজেকশন আর পারমিট করেনি তখন তাকে হাতে ক্যানোলা পরা অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার শিশুকে দেখার আগে নার্স ক্যানোলা পরিষ্কার করতে গেছে শিশুটি মারা যায়। তবে শিশুর স্বজনরা মৌখিক ভাবে অভিযোগ করে নার্সের গাফিলতিতে শিশুটি মারা যায়।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সালেহ আহমেদ সোহেল বলেন, কিছু দিন আগে জ্বরের জন্য শিশু কনসালটেন্ট ডা.রফিকুল ইসলাম আরোহীকে চিকিৎসা দেয়। তিনি শিশুকে একটি ইনজেকশন দিতে বলেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকতে বলেন।

স্বজনেরা শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেনি, বাহিরে ইনজেকশন দিয়ে আজকে আবার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন শিশুর হাতে থাকা ক্যানোল বক্ল পাওয়া যায়। ক্যানোলা পরিষ্কার করার সময় রোগী মারা যায়। নিহত শিশুর পরিবারের অভিযোগ ইনজেকশন দিতে শিশুটি মারা যায়।