মধ্য সাউদের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামো সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

৬৩

 

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা

‎পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ১৭৯ নং মধ্য সাউদের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়—১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি আজও মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ফলে পাঠদানে নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

‎বিদ্যালয়টিতে নেই খেলাধুলার জন্য নিরাপদ মাঠের সীমানা প্রাচীর। নেই বিশুদ্ধ পানির নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা। জরাজীর্ণ কিছু শ্রেণিকক্ষে এখনো চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত পরিবেশের ঘাটতিতে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

‎স্কুলটিতে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট। প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা কম হওয়ায় যথাযথভাবে পাঠদান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। অভিভাবকদের অভিযোগ—শিক্ষক কম, শ্রেণি বেশি, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান কমে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

‎স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার, বাউন্ডারি নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির আধুনিক ব্যবস্থা, অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, এবং দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

‎সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত এই বিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

‎এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে—বলছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু: শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা

https://www.youtube.com/@DACP-TV

ভিডিও নিউজ

মধ্য সাউদের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবকাঠামো সংকটে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

Update Time : ০৫:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
৬৩

 

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা

‎পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ১৭৯ নং মধ্য সাউদের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়—১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি আজও মৌলিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ফলে পাঠদানে নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

‎বিদ্যালয়টিতে নেই খেলাধুলার জন্য নিরাপদ মাঠের সীমানা প্রাচীর। নেই বিশুদ্ধ পানির নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা। জরাজীর্ণ কিছু শ্রেণিকক্ষে এখনো চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত পরিবেশের ঘাটতিতে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

‎স্কুলটিতে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট। প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা কম হওয়ায় যথাযথভাবে পাঠদান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। অভিভাবকদের অভিযোগ—শিক্ষক কম, শ্রেণি বেশি, ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান কমে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

‎স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার, বাউন্ডারি নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির আধুনিক ব্যবস্থা, অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, এবং দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

‎সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত এই বিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

‎এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে—বলছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।