নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯/০৯/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমান ১০:৩০ ঘটিকার সময়। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাঁচি পাড়া মান্দারবনে।মাছ বিক্রির বাকি টাকা চাওয়ার বিষয় নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী এক মাছ ক্রেতা এনামুল হক মাওলার সাথে বাগ বিতান্ডে জড়ান এবং এক পর্যায়ে মাছ বিক্রেতা মোঃ আব্বাস হাওলাদার কে স্থানীয় প্রভাবশালী মাছ ক্রেতা৷
এনামুল হক মাওলা কিছু ভকাটে পোলাপান ও স্থানীয় নিজের আত্মীয়-স্বজন নিয়ে তাকে অতর্কিত পিটুনি এবং মারধর করে গুরুতর জখম করে ও স্থানীয় একটি পচা কচুরিপানার খালে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানেও তাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনা শুনতে পেয়ে ঘটনা স্থানের কাছা কাছি একটি চায়ের দোকান থেকে মাছ বিক্রেতা মোঃআব্বাস হাওলাদার এর চাচাতো ভাই মিজানুর হাওলাদার ছুটে আসেন তিনি পেশায় একজন মোটরসাইকেল চালক।
সে এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করাতে তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং তার পরিবারের একমাত্র আয় রোজগারের মাধ্যম একটি মোটরসাইকেল সেটা কেও পুরিয়ে ফেলে ওই সন্ত্রাসী রা এবং এ ঘটনার খবর পেয়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য। একদল সাংবাদিক স্বরজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার এর স্ত্রী চম্পা বেগম এর কাছ থেকে এ বিষয়ে জানতে চান।
ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার এর স্ত্রী চম্পা বেগম সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে সাংবাদিকদের জানান তার স্বামী মোঃআব্বাস হাওলাদার বেশ কিছুদিন পূর্বে জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান তিনি সেখানে বেশ কয়েক বছর কাটালেও পরিবারের সদস্য বেশি থাকায় ও ছেলে সন্তান দের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারেন নি তিনি তার স্বামী মোঃ আব্বাস হাওলাদার প্রবাস থেকে ফিরে তার পত্রিক সূত্রে পাওয়া কিছু চাষী জমিতে চাষ ও পুকুর এবং স্থানীয় বিল থেকে মাছ ধরে বিক্রি করে বর্তমানে তার সংসার চালাচ্ছেন।
তার স্ত্রী আরও বলেন এমনিতেই তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এমত অবস্থায় তার স্বামীর কাছ থেকে স্থানীয়৷ এনামুল হক মাওলা নামে এক প্রভাবশালী লোক প্রতিদিন বাকিতে মাছ নিয়ে যান এবং প্রতিদিন বলেন টাকা দিয়ে দিব।
অনেক দিন অতিক্রম হওয়াতে তার স্বামী মাছ বিক্রি করার পিছনের বাকি টাকা গুলো চায় তাতে সে রাগান্বিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে আমার স্বামীকে প্রচুর মারধর করে এবং আমার ভাসুর মোটরসাইকেল চালোক মিজানুর হাওলাদার এ,ঘটনা শুনতে পেয়ে দৌড়ে গেলে তাকে মারধর করে তারিয়ে দেয় এবং তার মোটরসাইকেলটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন তারা।ভুক্তভোগীর স্ত্রী আরো জানান যে ওই সন্ত্রাসীরা আমাদের বসত বাড়িতে এসে বিভিন্ন ধরনের ভয়বৃত্তী ও হুমকি দেন।
এ সময় সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে এসে ভুক্তভোগী মোঃআব্বাস হাওলাদার এর প্রতিবেশী ও তার চাচাতো ভাই ও ভাই দের স্ত্রীরা সাংবাদিকদেরকে জানান। যে এ নির্মম ঘটনায় মাছ বিক্রেতা মোঃআব্বাস হাওলাদার এর কোন দোষ ছিলোনা এবং তারা জানান।
আব্বাস হাওলাদারের প্রতিদিনের মাছ ক্রেতা স্থানীয় ওই প্রভাবশালী লোক এর সম্পূর্ণ দোষ রয়েছে। তবে স্থানীয় আরো কিছুসংখ্যক লোক ওই স্থানীয় প্রভাবশালী মাছ ক্রেতার পক্ষেও বলেছেন তারা। এর সাথে সাথে আরো জানা যায় যে উক্ত প্রভাবশালী মাছ ক্রেতা এনামুল হক মাওলা এর বিরুদ্ধে নাকি লালন নামের এক ছাত্রকে মার্ডার করার অভিযোগ রেছে।তবে এই অভিযোগের সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এখনো সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহ করার কাজ চলমান রয়েছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে আরও জানা যায় যে ভুক্তভোগী মোঃ আব্বাসের চাচাতো ভাইয়ের মোটরসাইকেল টি,সরকারি সড়কের উপরে সাধারণ জনগণের সামনে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাধারণ ভাবে স্থানীয় লোকদের কাছে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে আসতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন। এবং কেবা কারা মোটরসাইকেল টি পুড়িয়েছেন তাদের নাম জানতে চাইলে নাম বলতে চান না তারা।
তবে স্থানীয় এক সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার কিছু অংশ লাইভ করেন সেই লাইভ ভিডিও ইতিমধ্য সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে। ওই ভিডিওতে মোটামুটি বোঝা যায় যে কিছু সংখ্যাক যুবক ও মধ্য বয়সী কিছু লোক সরকারি এক সড়কের ওপরই আগুন দিয়ে মোটরসাইকেল টি পুড়িয়ে ফেলতেছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী৷ মোঃআব্বাস হাওলাদার এর শরীরে যারা আঘাত করে গুরুতর জখম করেছে ও তার চাচাতো ভাই মোটরসাইকেল চালক মিজানুর হাওলাদার এর মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়েছেন।তাদের(৯)নয় জনকে আসামি করে ভুক্তভোগী মোঃ আব্বাস হাওলাদার নিজে বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
বাদীঃ মোঃ আব্বাস হাওলাদার পিতা-মৃত মোসলেম হাওলাদার সাং- মান্দারবন ০৬নংওয়াড, থানা,বাউফল,জেলা -পটুয়াখালী।এ,এজাহারে যাদেরকে আসামি ও সাক্ষী করা হয়েছে। তাদের নাম ও তালিকা।
আসামিঃ১।মহিবুল চৌকিদার (৫৫)পিতা-মৃত সিদ্দিক মাস্টার ২।সোহান খান (১৯)পিতা-লতিফ খান ৩।পাখি মোল্লা (৪০)পিতা-জসিম মোল্লা ৪।কবির মোল্লা (৫৭) পিতা-সিদ্দিক মাস্টার ৫।শফিক আকন (৪০) পিতা-বারেক আকন ৬।জালাল (৫৫)পিতা অজ্ঞাত ৭।কলিম চৌকিদার(৩০)পিতা-অজ্ঞাত
৮।লতিফ খান(৬০)পিতা-মৃত সোনা খান ৯।মোঃ হাসান(৩৫)পিতা হানিফ খান। সর্ব সাং ছাত্রকান্দা ০৬নং ওয়াড,থানা-বাউফল,জেলা-পটুয়াখালী এদের সহ অজ্ঞাত নামা ১০-১৫ জন আসামিরা ছিল।
সাক্ষীঃ১। মিরাজ হাওলাদার (২৫),২। মিজানুর হাওলাদার (৪৫),উভয় পিতা-চান মিয়া হাওলাদার, উভয় সাং-মান্দারবন ০৬নং ওয়ার্ড,৩। হৃদয় হাওলাদার (১৯)পিতা-মন্নান হাওলাদার, ৪।খলিল হাওলাদার (৫৫),পিতা -মৃত. হাশেম হালদার, ৫।মনির প্যাদা (৫০)পিতা আবুল প্যাদা,সর্ব সাং- ছত্রকান্দা,৬।
অপূর্ব হাওলাদার (১৮),পিতা-আব্বাস হাওলাদার, ৭। নুরজাহান বেগম (৬০),স্বামী চাঁন মিয়া হাওলাদার, ৮।চাঁন মিয়া হাওলাদার (৬৫),পিতা- মৃত. আকুব আলী হাওলাদার, সর্ব সাং-মান্দারবন ০৬নং ওয়ার্ড, ৯।মাসুদ আকন(৪৫),শাহআলম আকন,সহ আরও বহু সাক্ষী আছে।সাং- দেওপাশা,থানা- বাউফল,জেলা-পটুয়াখালী
শেষে এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক মাওলার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার নাম্বার বিজি পাওয়া যায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে ঐদিন তিনি একটি দলীয় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তাই তার মুঠো ফোন নম্বরটি বিজি পাওয়া গিয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী, বাউফল, থানার, অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে আমার দায়িত্ব রত বাউফল থানায়, এ, বিষয়ে ইতিমধ্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য একজন তদন্ত অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে।
এবং সে বর্তমানে অভিযোগ টি তদন্ত করার জন্য কয়এক বার উল্লেখিত ঐ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এবং তিনি আরো বলেন অতি দ্রুত অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের কে আইনের আওতায় আনা হবে।বর্তমানে ভুক্তভোগী মোঃআব্বাস হাওলাদার।পটুয়াখালীর সদর হাসপাতালে।কয়েক দিন যাবত চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।
উপরোক্ত সকল তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে স্থানীয় জনগণের ক্যামেরার সামনে না এসে এবং নিজ নাম প্রকাশ না করে সাক্ষ্য দেওয়া ও ভুক্তভোগীর পরিবার ও প্রতিবেশী দের ক্যামেরার সামনে এসে সাক্ষ্য দেওয়ায় এ তথ্য উদঘাটিত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 









