নিজস্ব প্রতিবেদক:
গর্ভবতী মায়েদের মাতৃস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এমবিবিএস ও গাইনি ডাক্তারদের পাশাপাশি কমিউনিটি প্যারামেডিকদের ভূমিকা অবিস্মরণীয়—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্যারামেডিক এসোসিয়েশন (BCPA)।
সংগঠন জানায়, দেশের গ্রাম–পল্লি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাথমিক মাতৃস্বাস্থ্য সেবা, সচেতনতা সৃষ্টি, ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং সঠিক সময়ে সঠিক ডাক্তার/হাসপাতালে রেফারাল প্রদান—এসব ক্ষেত্রে কমিউনিটি প্যারামেডিকরা সরাসরি ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
BCPA’র কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু হানিফ বলেন,
“নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে ডাক্তার, নার্স ও কমিউনিটি প্যারামেডিক—সবার সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। কমিউনিটি প্যারামেডিকরা মাঠপর্যায়ে গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত ফলো-আপ, চেকআপ, জরুরি সমস্যার রেফারেন্স এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।”
তিনি আরও বলেন,
“গর্ভবতী মায়েদের আল্ট্রাসোনোগ্রাম অবশ্যই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তারদের দ্বারা হওয়া উচিত। আর মায়ের প্রতিটি ধাপে সঠিক গাইডলাইন ও রেফারেন্স দিতে কমিউনিটি প্যারামেডিকই সবচেয়ে কাছের নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যকর্মী।”
সংগঠন মনে করে, মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে কমিউনিটি প্যারামেডিকদের সক্রিয়তা দেশের মাতৃস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে।
BCPA দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—সঠিক সময়ে সঠিক রেফারেন্সই বাঁচায় জীবন, আর সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে দক্ষ কমিউনিটি প্যারামেডিকরা।