
মোঃআবদুল আলিম স্টাফ রিপোর্টার।
দেশের মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে চলাফেরা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা পার্টির প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী, জাতীয় মহিলা পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা।
সভায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার শাহজাহান, নাজনিন সুলতানা, ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মুন্নি, ডা. সেলিমা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমা আকবর রুনা,রিলু বেগম,শাহ আলী থানার সহ-সভাপতি রওশন আরা বেবি, গুলশান থানার সভাপতি বাবলি ইয়াসমিন,
সহ জাতীয় মহিলা পার্টির কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।
সভায় রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ও গ্যাসের সংকট, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক উদ্যোগের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।
তিনি নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং জ্বালানি ও গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
নারীদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, নারীদের বাদ দিয়ে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারী অধিকার ও নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশা তুলে ধরে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
নাসরিন জাহান রতনা বলেন, জাতীয় মহিলা পার্টিকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে দেশের সর্বস্তরের নারী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নিয়মিত সভা, মতবিনিময়, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও জনসম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের নারী নেতৃত্ব তৈরি করতে শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মঠ ও সমাজসচেতন নারীদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়েও মহিলা পার্টিকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
Reporter Name 








