
মোঃ আল ইমরান রুবেল জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী:
পটুয়াখালী পৌরসভার টাউন জৈনকাঠী এলাকায় নিজের জমিতে বাড়ি নির্মাণ কাজে বাধা, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং চাঁদা না পেয়ে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি চক্রের বিরুদ্ধে। হামলায় নারীসহ পরিবারের কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘর থেকে নগদ টাকা ১,৫০,০০০ এক লক্ষ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মো. আনোয়ার হোসেন হাং পটুয়াখালী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে মো. মালেক মৃধা, মো. জলিল মৃধা, মো. কামাল মৃধা, মো. সিদ্দিক মৃধা, মো. ইকবাল মৃধা, মো. জামাল ও মো. সোহেল মৃধাসহ অজ্ঞাতনামা ১১-১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার টাউন জৈনকাঠী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলীয় জমিতে বাড়ি নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ভুক্তভোগী পরিবার। কিন্তু কাজ শুরু করার পর থেকেই স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নির্মাণকাজে সরাসরি বাধা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা নির্মাণ সামগ্রী ও স্থাপনা ভাঙচুর করে। বাড়ির লোকজন বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর নির্বিচারে লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে নারীসহ কয়েকজন রক্তাক্ত জখম হন। হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। বর্তমানে আহতরা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান, “আমরা নিজের জমিতে কাজ করতে গিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সন্ত্রাসীরা আমাদের মারধর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চাই।”
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Reporter Name 








