০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মাগুরায় শ্রীপুর স্বর্ণ ব্যবসারআড়ালেচলছে সুদের কারবার।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ Time View
১৩

 

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি।

মাগুরা ঝিনাইদহ রাজবাড়ী তিন জেলা মিলিতো একটি লাঙ্গলবাঁধ বাজেরে স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে চলছে জমজমাট সুদের ব্যবসা। চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশন, আলোকসজ্জা ও সাজানো রয়েছে বাহারি ডিজাইনের স্বর্ণালঙ্কার। সবাই জানে জুয়েলারির দোকান। অথচ এই জুয়েলারির আড়ালে চলছে চড়া সুদে স্বর্ণ বন্ধকীর নামে চসুদের ব্যবসা।

জানা যায়, এ বন্ধকী ব্যবসায় মানা হচ্ছে না সরকারি কোনো নিয়মনীতি। স্থানীয় ইউনিয়নের সামান্য একটি ট্রেড লাইসেন্সকে ব্যবহার করে তারা যুগের পর যুগ চালিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ বন্ধকী সুদের ব্যবসা।

চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করতে গিয়ে প্রতারিত ও সর্বস্বান্ত হচ্ছেন এলাকাবাসী। লাঙ্গলবাঁধ বাজারে শতাধিক জুয়েলারি দোকানে কয়েকশ কোটি টাকার অবৈধ বন্ধকী ব্যবসা চলছে। তবে প্রশাসনের সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এ অবৈধ স্বর্ণ বন্ধকী ব্যবসার নামে সুদের ব্যাপারে তারা অবগত নন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিন জেলার মাঝে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে প্রায় শতাধিক জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বন্ধকী ঋণের ব্যবসা চলছে। বন্ধকী ব্যবসায় ১শ’ টাকায় ১৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত সুদ নেয়া হয়।

এতে প্রতি মাসে এসব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা তিন জেলার অঞ্চলের অসহায় মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে সুদের ব্যবসা করে অনেকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার আসায় মাত্র দুই-তিন বছরে অলঙ্কার তৈরির কারিগর থেকে নিজেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী বনে যায়।

অনেক অসহায় মানুষ টাকার প্রয়োজনে স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নেয় এই সব সুদি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। টাকা নেয়ার সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা গ্রাহককে নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়। তাদের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে স্বর্ণ নিতে না পারলে গ্রাহকের ঐ স্বর্ণ আর পেরত পাওয়া যায় না।

বন্ধকী ব্যবস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

নওগাঁয় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

মাগুরায় শ্রীপুর স্বর্ণ ব্যবসারআড়ালেচলছে সুদের কারবার।

Update Time : ০৭:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
১৩

 

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি।

মাগুরা ঝিনাইদহ রাজবাড়ী তিন জেলা মিলিতো একটি লাঙ্গলবাঁধ বাজেরে স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে চলছে জমজমাট সুদের ব্যবসা। চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশন, আলোকসজ্জা ও সাজানো রয়েছে বাহারি ডিজাইনের স্বর্ণালঙ্কার। সবাই জানে জুয়েলারির দোকান। অথচ এই জুয়েলারির আড়ালে চলছে চড়া সুদে স্বর্ণ বন্ধকীর নামে চসুদের ব্যবসা।

জানা যায়, এ বন্ধকী ব্যবসায় মানা হচ্ছে না সরকারি কোনো নিয়মনীতি। স্থানীয় ইউনিয়নের সামান্য একটি ট্রেড লাইসেন্সকে ব্যবহার করে তারা যুগের পর যুগ চালিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ বন্ধকী সুদের ব্যবসা।

চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করতে গিয়ে প্রতারিত ও সর্বস্বান্ত হচ্ছেন এলাকাবাসী। লাঙ্গলবাঁধ বাজারে শতাধিক জুয়েলারি দোকানে কয়েকশ কোটি টাকার অবৈধ বন্ধকী ব্যবসা চলছে। তবে প্রশাসনের সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এ অবৈধ স্বর্ণ বন্ধকী ব্যবসার নামে সুদের ব্যাপারে তারা অবগত নন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিন জেলার মাঝে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে প্রায় শতাধিক জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বন্ধকী ঋণের ব্যবসা চলছে। বন্ধকী ব্যবসায় ১শ’ টাকায় ১৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত সুদ নেয়া হয়।

এতে প্রতি মাসে এসব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা তিন জেলার অঞ্চলের অসহায় মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে সুদের ব্যবসা করে অনেকে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার আসায় মাত্র দুই-তিন বছরে অলঙ্কার তৈরির কারিগর থেকে নিজেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী বনে যায়।

অনেক অসহায় মানুষ টাকার প্রয়োজনে স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নেয় এই সব সুদি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। টাকা নেয়ার সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা গ্রাহককে নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দেয়। তাদের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে স্বর্ণ নিতে না পারলে গ্রাহকের ঐ স্বর্ণ আর পেরত পাওয়া যায় না।

বন্ধকী ব্যবস