০৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতির অভিযোগ: সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৫:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ৫৩১ সম্পাদক ও প্রকাশক

 

বিশেষ প্রতিবেদন

ঢাকার সাভার উপজেলার ৭নং বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সাধারণ জনগণকে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন, ফ্রি সেবার কথা থাকলেও আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ঘটনাস্থলে যায় টাইম নিউজ টেলিভিশনের অনুসন্ধানী টিম। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে সদস্য সচিব মহাসীন মিয়া কিংবা চেয়ারম্যান কাউকেই পাওয়া যায়নি। এ সময় সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে অনুসন্ধানী দল।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, “সরকার নির্ধারিত অনেক সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।টাকা দেওয়ার পরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদে এসে প্রায়ই দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায় না।”এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৪তম গ্রেডের একজন সদস্য সচিব হিসেবে মাসিক প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পেলেও তার জীবনযাপন ও আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সাধারণ মানুষের ভাষ্য, “সরকারি চাকরি করেও কীভাবে এত প্রভাব ও সম্পদের মালিক হলেন মহাসীন মিয়া?” এমন প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের এক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অফিসের বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। তবে ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ছওয়াব ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পন্ন।

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
13 September 2026

ধামইরহাটে ডেংগু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিছন্নতার অভিযান।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com |
https://www.facebook.com/share/17ZfnZGsZm/

বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে দুর্নীতির অভিযোগ: সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৫:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিবেদন

ঢাকার সাভার উপজেলার ৭নং বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সাধারণ জনগণকে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন, ফ্রি সেবার কথা থাকলেও আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবা প্রত্যাশীরা। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ঘটনাস্থলে যায় টাইম নিউজ টেলিভিশনের অনুসন্ধানী টিম। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে সদস্য সচিব মহাসীন মিয়া কিংবা চেয়ারম্যান কাউকেই পাওয়া যায়নি। এ সময় সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে অনুসন্ধানী দল।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, “সরকার নির্ধারিত অনেক সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।টাকা দেওয়ার পরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদে এসে প্রায়ই দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায় না।”এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সদস্য সচিব মহাসীন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৪তম গ্রেডের একজন সদস্য সচিব হিসেবে মাসিক প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পেলেও তার জীবনযাপন ও আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সাধারণ মানুষের ভাষ্য, “সরকারি চাকরি করেও কীভাবে এত প্রভাব ও সম্পদের মালিক হলেন মহাসীন মিয়া?” এমন প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের এক সহকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অফিসের বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। তবে ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card