০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৩:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৫ সম্পাদক ও প্রকাশক

The school building identified in reports regarding student fee collection.

 

স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের ৭২নং ইসদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সিকিউরিটি গার্ড বাবদ মাসে ৫০ টাকা এবং আয়া বাবদ মাসে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

অভিভাবকদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের মাসিক অর্থ আদায় সরকারি নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

কলি তালুকদারকে আহবায়ক ও বিমল বণিককে সদস্য সচিব করে সুনামগঞ্জে ২১ সদস্য বিশিষ্ঠ আহবায়ক কমিটি গঠন

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
13 September 2026

মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

www.dailyamaderchetanaypratidin.com |
https://www.facebook.com/share/17ZfnZGsZm/

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৩:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জের ৭২নং ইসদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সিকিউরিটি গার্ড বাবদ মাসে ৫০ টাকা এবং আয়া বাবদ মাসে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

অভিভাবকদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের মাসিক অর্থ আদায় সরকারি নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

Share this news as a Photo Card