১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজদিখানে প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যে মানববন্ধন ও জায়গার সাইনবোর্ড ভাঙচুর

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২৭ সম্পাদক ও প্রকাশক

 

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের কাকালদি গ্রামে পুকুরের মালিক স্পেন প্রবাসী শাহ আলম শেখের বিরুদ্ধে প্রতারক ইয়াসিন খান মানববন্ধন ও পুকুরপাড়ের সাইনবোর্ড ভাঙচুর করেছে। বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১ টার দিকে ইছাপুরা- মালখানগর সড়কের কাকালদী এলাকায় ভাড়া করা লোকজন নিয়ে মানববন্ধন করা হয়। ইয়াসিন খানের ভাই মানববন্ধনে তার বক্তব্যে বলেন, প্রায় ১২ বছর যাবৎ এই পুকুরে মালিক আমার ভাই ইয়াসিন। মধ্যপাড়া ইউনিয়নের মধ্য মালপদিয় গ্রামের সোহাগ শেখ নামের এক ব্যাক্তি তার নিকট দুই বছর আগে ইয়াসিনকে জায়গা বিক্রির জন্য হুমকি দেয়। সোহাগের কাছে
জায়গা বিক্রি করে না করায় দুই বছর যাবত সোহাগ ও শাহ আলম মিলে এখানে সাইনবোর্ড দিয়ে জায়গা দাবি করে, তাই মানববন্ধন করা হয় এবং তাদের সাইনবোর্ড খুলে ইয়াসিন খানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়। স্থানীয় শরীফ, আঃ হাই, মামুন ও মোশারফ হোসেন জানান, সোহাগ ও ইয়াসিন এক সময় তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী সম্পর্ক ছিলো এবং টাকা পয়সার লেনদেনও ছিলো, এমনটা শুনেছি। ইয়াসিন খানের নিকট সোহাগ প্রায় ৯০ লাখ টাকা পাওনা ছিলো, সেজন্য ঐ জায়গা সোহাগদের ৩ ভাইয়ের নামে বায়না দলিল করে দিয়েছে বলে এলাকায় অনেকেই জানেন। স্পেন প্রবাসী শাহ আলম শেখ টেলিফোনে জানান, আমি প্রায় দুই বছর আগে ওই পুকুরের ১৪ শতাংশের সামন্য বেশি অংশ ক্রয় করি। কাকালদি মৌজার জে এল নং ১১৭। তিনটি ১৭৭, ১৭৮ ও ১৭৯ নং দাগ থেকে। যার দলিল রেজিস্ট্রি করে, নামজারি গত বছরের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখে করা হয়েছে। এছাড়া আমি আরো ওই পুকুরের নয়টি দাগে আব্দুর রব, সোহাগ ও নয়নের নিকট থেকে ৯৭ শতাংশ ৮২ অযুতাংশ পুকুরের জায়গা বায়না দলিল করেছি। আমার ক্রয়কৃত জায়গা ও বায়নাকৃত জায়গায় আমার ম্যানেজার সাইনবোর্ড দিয়েছিলো। এতদিন পর তারা ঝামেলা শুরু করেছে। দুঃখের বিষয় হলো আমি জায়গা কিনে প্রকৃত মালিক এবং বায়না সূত্রেও আরো জায়গার মালিক হই। কিন্তু ইয়াসিন খানের নির্দেশে তার লোকজন আমাকে ভূমি দস্যু এবং চাঁদাবাজ লিখে ব্যানার বানিয়ে ভাড়া করা লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করে এবং আমার সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে ফেলে দেয়। আমি কিছু ফুটেজ দেখেছি ইয়াসিন খানের ভাই ছাড়া সেখানে স্থানীয় কেউ ছিলো না। আমি স্পেনে থাকি, ব্যবসা করি। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দেশে যাওয়া হয় না। আমি কোথায় ভূমিদস্যুতা করেছি বা কোথায় চাঁদাবাজিই বা করলাম। এমন প্রমাণ তারা না দিতে পারলে, আমি তাদের বিরুদ্ধে মানহানির জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। থানা পুলিশকে টেলিফোনে অবগত করা হয়েছে। সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলাউদ্দিন জানান, বিষয়টি শুনেছি, এই ঘটনায় কেউ থানায় এসে লিখিত জানায়নি। আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে। #

২৪/০৬/২০২৬

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

সিরাজদিখানে প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যে মানববন্ধন ও জায়গার সাইনবোর্ড ভাঙচুর

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
14 June 2026

বকুলবাড়ীয়ার কামারখালীতে সড়ক ভাঙন​

www.dailyamaderchetanaypratidin.com

সিরাজদিখানে প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যে মানববন্ধন ও জায়গার সাইনবোর্ড ভাঙচুর

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৬:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

 

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের কাকালদি গ্রামে পুকুরের মালিক স্পেন প্রবাসী শাহ আলম শেখের বিরুদ্ধে প্রতারক ইয়াসিন খান মানববন্ধন ও পুকুরপাড়ের সাইনবোর্ড ভাঙচুর করেছে। বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১১ টার দিকে ইছাপুরা- মালখানগর সড়কের কাকালদী এলাকায় ভাড়া করা লোকজন নিয়ে মানববন্ধন করা হয়। ইয়াসিন খানের ভাই মানববন্ধনে তার বক্তব্যে বলেন, প্রায় ১২ বছর যাবৎ এই পুকুরে মালিক আমার ভাই ইয়াসিন। মধ্যপাড়া ইউনিয়নের মধ্য মালপদিয় গ্রামের সোহাগ শেখ নামের এক ব্যাক্তি তার নিকট দুই বছর আগে ইয়াসিনকে জায়গা বিক্রির জন্য হুমকি দেয়। সোহাগের কাছে
জায়গা বিক্রি করে না করায় দুই বছর যাবত সোহাগ ও শাহ আলম মিলে এখানে সাইনবোর্ড দিয়ে জায়গা দাবি করে, তাই মানববন্ধন করা হয় এবং তাদের সাইনবোর্ড খুলে ইয়াসিন খানের সাইনবোর্ড লাগানো হয়। স্থানীয় শরীফ, আঃ হাই, মামুন ও মোশারফ হোসেন জানান, সোহাগ ও ইয়াসিন এক সময় তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী সম্পর্ক ছিলো এবং টাকা পয়সার লেনদেনও ছিলো, এমনটা শুনেছি। ইয়াসিন খানের নিকট সোহাগ প্রায় ৯০ লাখ টাকা পাওনা ছিলো, সেজন্য ঐ জায়গা সোহাগদের ৩ ভাইয়ের নামে বায়না দলিল করে দিয়েছে বলে এলাকায় অনেকেই জানেন। স্পেন প্রবাসী শাহ আলম শেখ টেলিফোনে জানান, আমি প্রায় দুই বছর আগে ওই পুকুরের ১৪ শতাংশের সামন্য বেশি অংশ ক্রয় করি। কাকালদি মৌজার জে এল নং ১১৭। তিনটি ১৭৭, ১৭৮ ও ১৭৯ নং দাগ থেকে। যার দলিল রেজিস্ট্রি করে, নামজারি গত বছরের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখে করা হয়েছে। এছাড়া আমি আরো ওই পুকুরের নয়টি দাগে আব্দুর রব, সোহাগ ও নয়নের নিকট থেকে ৯৭ শতাংশ ৮২ অযুতাংশ পুকুরের জায়গা বায়না দলিল করেছি। আমার ক্রয়কৃত জায়গা ও বায়নাকৃত জায়গায় আমার ম্যানেজার সাইনবোর্ড দিয়েছিলো। এতদিন পর তারা ঝামেলা শুরু করেছে। দুঃখের বিষয় হলো আমি জায়গা কিনে প্রকৃত মালিক এবং বায়না সূত্রেও আরো জায়গার মালিক হই। কিন্তু ইয়াসিন খানের নির্দেশে তার লোকজন আমাকে ভূমি দস্যু এবং চাঁদাবাজ লিখে ব্যানার বানিয়ে ভাড়া করা লোকজন দিয়ে মানববন্ধন করে এবং আমার সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে ফেলে দেয়। আমি কিছু ফুটেজ দেখেছি ইয়াসিন খানের ভাই ছাড়া সেখানে স্থানীয় কেউ ছিলো না। আমি স্পেনে থাকি, ব্যবসা করি। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দেশে যাওয়া হয় না। আমি কোথায় ভূমিদস্যুতা করেছি বা কোথায় চাঁদাবাজিই বা করলাম। এমন প্রমাণ তারা না দিতে পারলে, আমি তাদের বিরুদ্ধে মানহানির জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। থানা পুলিশকে টেলিফোনে অবগত করা হয়েছে। সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলাউদ্দিন জানান, বিষয়টি শুনেছি, এই ঘটনায় কেউ থানায় এসে লিখিত জানায়নি। আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে। #

২৪/০৬/২০২৬

www.dailyamaderchetanaypratidin.com Save as PDF

Share this news as a Photo Card