১০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিথ্যা ও পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগ: তীব্র প্রতিবাদ জানালেন রুনা হাওলাদার

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ১০:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৬৫ সম্পাদক ও প্রকাশক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, পরিকল্পিত ও বিভ্রান্তিকর ঘটনা সাজিয়ে নিজের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ এনে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন রুনা হাওলাদার। তিনি বলেন, গত ২৯ জুন ২০২৬ (সোমবার) কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদারের সঙ্গে তার একটি কথোপকথনকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারণ করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তার দাবি, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। রুনা হাওলাদারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৬ মে ২০২৬ তিনি গোপন সূত্রে জানতে পারেন যে, গভীর রাতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ সুপারি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তথ্যটি নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি পটুয়াখালী কোস্ট গার্ডকে বিষয়টি অবহিত করেন। তার দাবি, ওই তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ মে ভোর থেকে অভিযান পরিচালনা করে সকাল প্রায় ১০টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালীর সদস্যরা প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সুপারি জব্দ করেন এবং ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ঘটনাটি সেদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। তিনি আরও বলেন, তথ্যদাতা হিসেবে তার পরিচয় প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই তিনি অবৈধ চোরাকারবারিদের রোষানলে পড়েন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকির সম্মুখীন হলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। রুনা হাওলাদারের অভিযোগ, ঘটনার দিন সহকর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকতা বিষয়ক আলোচনার সময় কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদার হঠাৎ করে তার সামনে এসে এলোমেলো ও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন। তিনি দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং তাকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যেই ভিডিও ধারণ করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে ওই ভিডিওর সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে টাকা গণনার একটি ভিডিও সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়, যার ফলে তিনি ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। রুনা হাওলাদার বলেন, “এই পরিকল্পিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার আড়ালে যদি কেউ অবৈধ চোরাকারবারিদের পক্ষে কাজ করে দেশের রাজস্ব ক্ষতির সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “আমার এই প্রতিবাদকে কেউ কেউ ভিন্নভাবে দেখলেও আমি বিশ্বাস করি, সমাজের বিবেকবান মানুষ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেবেন এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে বিবেচনা করবেন।”

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

নেপালের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ছওয়াব ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পন্ন।

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
13 September 2026

ধামইরহাটে ডেংগু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিছন্নতার অভিযান।

www.dailyamaderchetanaypratidin.com |
https://www.facebook.com/share/17ZfnZGsZm/

মিথ্যা ও পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেয় প্রতিপন্নের অভিযোগ: তীব্র প্রতিবাদ জানালেন রুনা হাওলাদার

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ১০:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, পরিকল্পিত ও বিভ্রান্তিকর ঘটনা সাজিয়ে নিজের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ এনে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন রুনা হাওলাদার। তিনি বলেন, গত ২৯ জুন ২০২৬ (সোমবার) কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদারের সঙ্গে তার একটি কথোপকথনকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারণ করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তার দাবি, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। রুনা হাওলাদারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৬ মে ২০২৬ তিনি গোপন সূত্রে জানতে পারেন যে, গভীর রাতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ সুপারি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তথ্যটি নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি পটুয়াখালী কোস্ট গার্ডকে বিষয়টি অবহিত করেন। তার দাবি, ওই তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ মে ভোর থেকে অভিযান পরিচালনা করে সকাল প্রায় ১০টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালীর সদস্যরা প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ সুপারি জব্দ করেন এবং ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ঘটনাটি সেদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। তিনি আরও বলেন, তথ্যদাতা হিসেবে তার পরিচয় প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই তিনি অবৈধ চোরাকারবারিদের রোষানলে পড়েন এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকির সম্মুখীন হলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। রুনা হাওলাদারের অভিযোগ, ঘটনার দিন সহকর্মীদের সঙ্গে সাংবাদিকতা বিষয়ক আলোচনার সময় কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদার হঠাৎ করে তার সামনে এসে এলোমেলো ও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন। তিনি দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং তাকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যেই ভিডিও ধারণ করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে ওই ভিডিওর সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে টাকা গণনার একটি ভিডিও সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়, যার ফলে তিনি ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। রুনা হাওলাদার বলেন, “এই পরিকল্পিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার আড়ালে যদি কেউ অবৈধ চোরাকারবারিদের পক্ষে কাজ করে দেশের রাজস্ব ক্ষতির সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “আমার এই প্রতিবাদকে কেউ কেউ ভিন্নভাবে দেখলেও আমি বিশ্বাস করি, সমাজের বিবেকবান মানুষ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেবেন এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে বিবেচনা করবেন।”

Share this news as a Photo Card