১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ভিকটিম উদ্ধার,শিশু সুরক্ষায় বাড়ছে সচেতনতার দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ২৭ Time View
৩৮

 

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার ভিকটিম ১৪ বছর বয়সী কিশোরী মোসাঃ অজিহা ঝিমলিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রবিবার (১৭ মে ২০২৬) ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানাধীন কাচিঝুলি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ জানায়,গফরগাঁও থানার মামলা নম্বর-০৮, তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে ভিকটিমের অবস্থান শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধান ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

একপর্যায়ে গোপন তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ভিত্তিতে কাচিঝুলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,উদ্ধারকৃত কিশোরীকে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত পদ্ধতি শিশু ও নারী নির্যাতনসংক্রান্ত মামলার তদন্তে নতুন গতি এনেছে। বিশেষ করে নিখোঁজ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। সমাজ সচেতন মহলের মতে,শিশু ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু আইন প্রয়োগ নয়,পরিবার ও সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনলাইন যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এদিকে,ভিকটিম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

যেখানে রাষ্ট্রীয় গণপরিবহনই ব্যর্থ, সেখানে বাইকের ট্যাক্স বাড়ানো কতটা যৌক্তিক?

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ভিকটিম উদ্ধার,শিশু সুরক্ষায় বাড়ছে সচেতনতার দাবি

Update Time : ০৫:০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
৩৮

 

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ:

ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার ভিকটিম ১৪ বছর বয়সী কিশোরী মোসাঃ অজিহা ঝিমলিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রবিবার (১৭ মে ২০২৬) ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানাধীন কাচিঝুলি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ জানায়,গফরগাঁও থানার মামলা নম্বর-০৮, তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে ভিকটিমের অবস্থান শনাক্তে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক অনুসন্ধান ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

একপর্যায়ে গোপন তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ভিত্তিতে কাচিঝুলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,উদ্ধারকৃত কিশোরীকে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত পদ্ধতি শিশু ও নারী নির্যাতনসংক্রান্ত মামলার তদন্তে নতুন গতি এনেছে। বিশেষ করে নিখোঁজ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের দ্রুত শনাক্ত ও উদ্ধারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। সমাজ সচেতন মহলের মতে,শিশু ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু আইন প্রয়োগ নয়,পরিবার ও সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনলাইন যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। এদিকে,ভিকটিম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।