১২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠি সহকারি শিক্ষা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ৬ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময় পরিক্ষায় উত্তীর্ন

  • Reporter Name
  • মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৩:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭ সম্পাদক ও প্রকাশক

The office building of the Education Engineering Department in Jhalokathi.

সিনিয়র রিপোর্টারঃ খান মোঃ রফিকুল ইসলাম,

শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার টেন্ডার মূল্যায়ন নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই এ টেন্ডার কার্যক্রম বাতিল করে রিটেন্ডার করায় ঠিকাদাররা এ অভিযোগ করেন। জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায় পরিচালন বাজেটের আওতায় (৭০১৬) প্রকল্পের দুটি পৃথক টেন্ডার আহবান করা হয়। ওপেন টেন্ডারিং মেথড (ওটিএম) প্রক্রিয়ায় গত ১৭ জুন টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এরমধ্যে কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মানে ২ কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। অপর দিকে একই প্যাকেজে নলছিটি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ওয়াল ও বালি ভড়াটে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা টেন্ডার আহবান করা হয়। এ টেন্ডার মূল্যায়নের কাজ চলমান। কাঠালিয়ার কাজে ৪ জন এবং নলছিটির কাজে মোট ৩২ জন ঠিকাদার অংশ নেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাঠালিয়া এবং নলছিটির টেন্ডার কাজে বিগত ৫ অর্থ বছরে নির্মান কাজে গড় বার্ষিক টার্ন ওভার থাকতে হবে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু দুটো কাজেই অংশ নেয়া আরএম ট্রেডিং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরচেয়ে মো. সুমন হাং জানান, আমরা আমাদের লাইসেন্সের পক্ষে কক্সবাজারে সেনাবাহীনির বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্পের ৩৬ কোটি টাকার কার্য সম্পাদন করেছি। যে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ঐ কাজ সম্পাদন সনদপত্রে ৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার কাজ সফল ভাবে গত ২০২৩ সনের ৩০ এপ্রিল তারিখে সম্পাদনের কথা উল্লেখ করেন। আরো উল্লেখ করেন এ টাকার মধ্যে ভ্যাট ও আয়কর বাবাদ মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫শত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। তাই এই কাজ সম্পাদন সনদপত্রেই পেমেন্ট সার্টিফিকেটের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়। এরপর আমাদের লাইসেন্স রেসপনসিভকরেও সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অন্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে পেমেন্ট সার্টিফিকেটের অযুহাতে রিটেন্ডার দিয়ে পূর্বের টেন্ডার বাতিল করেন। যাতে এ টেন্ডার থেকে আমাদের বাতিল করতে পারলে নলছিটির মূল্যায়নে রাখা কাজ থেকেও আমাদের ননরেসপনসিভ করতে সুবিধা হয়। এমনটাই অভিযোগ আরএম ট্রেডিং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি মো. সুমনের। এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা আরএম ট্রেডার্সের কাজ সম্পাদনের সনদপত্রটি যাচাই বাছাই করে সত্যতা পাওয়ায় লাইসেন্স রেসপন্সিভ করেছি। কিন্তু পিপিআর এর নির্দেশনা অনুযায়ি পৃথক পেমেন্ট সার্টিফিকেট দিতে না পারায় ননরেসপন্সিভকরা হয়েছে। পেমেন্ট সার্টিফিকের সকল তথ্য কাজ শেষ করার সনদপত্রে উল্লেখ থাকলেও ননরেসপন্সিভ করা যায় কিনা জানতে চাইলে সহকারি প্রকৌশলী বলেন এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। নির্বাহী প্রকৌশলী স্নেহলতা রায় কে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এটাকে রি টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। এটাকে নিয়ে কেন এত জোড়াজুড়ী করে। এবং এটা নিয়ে গুতাগুতি না করে। সেনাবাহিনীর যে কাজ আর এম ট্রেডিং করছে তার পেমেন্ট সার্টিফিকেট সেনাবাহিনী দেয় নি। তারা কমপ্রিসন সার্টিফিকেট দিয়েছে। তিনি লিখিত দিতে রাজী যে সেনাবাহিনী য়ে কাগজটি দিয়েছে তাহা ভুল।তিনি আরো বলেন যে সেনাবাহিনী কি পেমেন্ট সার্টিফিকেট দিয়েছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। তিনি এটাই প্রমান করাতে চান সেনাবাহিনীর দেয়া কাগজ ভুল।

Share this news as a Photo Card

দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
About Author Information

Md.Alihossain Molla

Popular Post

ঠিকাদারের অবহেলায় রুদ্রকরে প্রধান সড়ক খালে, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

PhotoCard Icon
Create PhotoCard
দৈনিক আমাদের চেতনায় প্রতিদিন
08 August 2026

তৃতীয়বার সাংগঠনিক পদে নির্বাচিত হয়ে শ্রমিক ভাই ও নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

www.dailyamaderchetanaypratidin.com |
https://www.facebook.com/share/17ZfnZGsZm/

ঝালকাঠি সহকারি শিক্ষা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ৬ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময় পরিক্ষায় উত্তীর্ন

মোঃ আলী হোসেন মোল্লা ০৩:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সিনিয়র রিপোর্টারঃ খান মোঃ রফিকুল ইসলাম,

শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ২ কোটি ১৫ লাখ টাকার টেন্ডার মূল্যায়ন নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই এ টেন্ডার কার্যক্রম বাতিল করে রিটেন্ডার করায় ঠিকাদাররা এ অভিযোগ করেন। জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায় পরিচালন বাজেটের আওতায় (৭০১৬) প্রকল্পের দুটি পৃথক টেন্ডার আহবান করা হয়। ওপেন টেন্ডারিং মেথড (ওটিএম) প্রক্রিয়ায় গত ১৭ জুন টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এরমধ্যে কাঠালিয়া উপজেলার চেচরীরামপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মানে ২ কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। অপর দিকে একই প্যাকেজে নলছিটি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ওয়াল ও বালি ভড়াটে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা টেন্ডার আহবান করা হয়। এ টেন্ডার মূল্যায়নের কাজ চলমান। কাঠালিয়ার কাজে ৪ জন এবং নলছিটির কাজে মোট ৩২ জন ঠিকাদার অংশ নেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাঠালিয়া এবং নলছিটির টেন্ডার কাজে বিগত ৫ অর্থ বছরে নির্মান কাজে গড় বার্ষিক টার্ন ওভার থাকতে হবে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু দুটো কাজেই অংশ নেয়া আরএম ট্রেডিং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পরচেয়ে মো. সুমন হাং জানান, আমরা আমাদের লাইসেন্সের পক্ষে কক্সবাজারে সেনাবাহীনির বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্পের ৩৬ কোটি টাকার কার্য সম্পাদন করেছি। যে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ঐ কাজ সম্পাদন সনদপত্রে ৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার কাজ সফল ভাবে গত ২০২৩ সনের ৩০ এপ্রিল তারিখে সম্পাদনের কথা উল্লেখ করেন। আরো উল্লেখ করেন এ টাকার মধ্যে ভ্যাট ও আয়কর বাবাদ মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫শত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। তাই এই কাজ সম্পাদন সনদপত্রেই পেমেন্ট সার্টিফিকেটের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়। এরপর আমাদের লাইসেন্স রেসপনসিভকরেও সহকারী প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম অন্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে পেমেন্ট সার্টিফিকেটের অযুহাতে রিটেন্ডার দিয়ে পূর্বের টেন্ডার বাতিল করেন। যাতে এ টেন্ডার থেকে আমাদের বাতিল করতে পারলে নলছিটির মূল্যায়নে রাখা কাজ থেকেও আমাদের ননরেসপনসিভ করতে সুবিধা হয়। এমনটাই অভিযোগ আরএম ট্রেডিং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি মো. সুমনের। এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা আরএম ট্রেডার্সের কাজ সম্পাদনের সনদপত্রটি যাচাই বাছাই করে সত্যতা পাওয়ায় লাইসেন্স রেসপন্সিভ করেছি। কিন্তু পিপিআর এর নির্দেশনা অনুযায়ি পৃথক পেমেন্ট সার্টিফিকেট দিতে না পারায় ননরেসপন্সিভকরা হয়েছে। পেমেন্ট সার্টিফিকের সকল তথ্য কাজ শেষ করার সনদপত্রে উল্লেখ থাকলেও ননরেসপন্সিভ করা যায় কিনা জানতে চাইলে সহকারি প্রকৌশলী বলেন এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। নির্বাহী প্রকৌশলী স্নেহলতা রায় কে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এটাকে রি টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। এটাকে নিয়ে কেন এত জোড়াজুড়ী করে। এবং এটা নিয়ে গুতাগুতি না করে। সেনাবাহিনীর যে কাজ আর এম ট্রেডিং করছে তার পেমেন্ট সার্টিফিকেট সেনাবাহিনী দেয় নি। তারা কমপ্রিসন সার্টিফিকেট দিয়েছে। তিনি লিখিত দিতে রাজী যে সেনাবাহিনী য়ে কাগজটি দিয়েছে তাহা ভুল।তিনি আরো বলেন যে সেনাবাহিনী কি পেমেন্ট সার্টিফিকেট দিয়েছে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন। তিনি এটাই প্রমান করাতে চান সেনাবাহিনীর দেয়া কাগজ ভুল।

Share this news as a Photo Card