
বিশেষ সংবাদদাতা:
বিয়ের প্রলোভন ও প্রতারণার ফাঁদ পেতে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাসলিমা আক্তার রুমি নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী স্বামী শেখ রাসেল তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রাসেল জানান, বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন তাঁর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার রুমি একজন পেশাদার প্রতারক। রূপ ও যৌবনের মায়াজালে ফেলে বিভিন্ন পুরুষকে আকৃষ্ট করাই তাঁর মূল কাজ। রাসেলকে বিয়ের আগেও রুমি তাঁর আগের দুটি বিয়ের তথ্য গোপন করেছিলেন। রাসেল অভিযোগ করেন, তাঁদের সংসারে থাকাকালীন সময়েও রুমি একাধিক পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হন। প্রমাণসহ তাঁকে হাতে-নাতে ধরার পরও তিনি নিজেকে শুধরাননি। টিকটক, মেসেঞ্জার ও ফেসবুকের মাধ্যমে বিশেষ করে প্রবাসী পুরুষদের টার্গেট করে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন রুমি। ভুক্তভোগী স্বামী জানান, রুমির শখ-আহ্লাদ মেটাতে এবং দেশ-বিদেশে ঘোরাতে তিনি প্রায় ৫ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং আইফোন ব্যবহার করতে দিয়েছেন। পরবর্তীতে গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাসা থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে রুমি তাঁর পরকীয়া প্রেমিক ইমরান হোসেনের সাথে পালিয়ে যান। সংবাদ সম্মেলনে রাসেল আরও বিস্ফোরক অভিযোগ এনে বলেন, এই প্রতারণার নেপথ্যে একটি চক্র কাজ করছে। রুমির মাতা, খালা ময়না বেগম, বোন জামাই এবং অবৈধভাবে বিয়ে ও ডিভোর্স করানোর মূল হোতা কাজী আব্দুল বাতেন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা মেয়েটিকে ‘হানি ট্র্যাপ’ হিসেবে ব্যবহার করে প্রবাসী, ব্যাংকার ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি ব্যবসায় পরিণত করেছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে ভুক্তভোগী রাসেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে এই প্রতারক চক্রের দ্রুত বিচার দাবি করেন, যেন আর কেউ এমন প্রতারণার শিকার না হন।
Reporter Name 



















